Tuesday, September 8

রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের পথ ঘুরে দেখলেন জার্মান রাষ্ট্রদূত

0

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোল্টজ। এ সময় তিনি নাফ নদী পেরিয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা কীভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে সেই পথ ঘুরে দেখলেন। নাফ নদী পেরিয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রবেশ পথের ছবি নিজের মোবাইলে ধারণ করেন।
বৃহস্পতিবার তিনি টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা রোহিঙ্গা শিবির ঘুরে টেকনাফ পৌরসভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন জার্মান রাষ্ট্রদূত।

এসময় পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বলেন, শুরুতে রোহিঙ্গাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল স্থানীয় লোকজন। কিন্তু বর্তমানে রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয়রা নানাভাবে সমস্যায় পড়ছে। কেননা স্থানীয় শ্রমবাজার এখন রোহিঙ্গাদের দখলে। পাশপাশি তারা মানব পাচার, মাদক ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে।
মতবিনিময়কালে টেকনাফ পৌর প্যানেল মেয়র আব্দুল্লাহ মনির রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের কারণে স্থানীয়দের শ্রমবাজার দখল, রোহিঙ্গাদের মাদক চোরাচালানে সম্পৃক্ততা, রাস্তাঘাটের ক্ষয়ক্ষতি, ফসলি জমি ও বিশাল বনভূমির ক্ষয়ক্ষতি, খাদ্য সংকট ও আইন-শৃংখলার অবনতির চিত্র তুলে ধরে জার্মান রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেন বলেন, জার্মান সরকার বাংলাদেশের পাশে রয়েছে, রোহিঙ্গাদের সহায়তার পাশাপাশি স্থানীয়দের সহায়তার কথাও ভাবছে। কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয়দের সহতায় করা যায়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
টেকনাফ চৌধুরীর পাড়ায় নাফনদের বুকে গড়ে উঠা টেকনাফ-মিয়ানমার ট্রানজিট ঘাটও ঘুরে দেখেন জার্মান রাষ্ট্রদূত।
মতবিনিময় সভায় টেকনাফ পৌরসভার প্যানেল মেয়র আব্দুল্লাহ মনির, এনজিও ‘আনন্দে’র নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিয়া, এরিয়া ম্যানেজার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, রেসপন্স কো-অর্ডিনেটর বজলুর রশিদ, পৌর সচিব মহিউদ্দিন ফয়েজীসহ আরু অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.