রোহিঙ্গা শরণার্থীদের উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য মালয়েশিয়া সরকার একটি দ্বীপ প্রস্তুত করছে, যেখানে তাদের স্থানান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সাবু।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সকালে সফররত মোহাম্মদ বিন সাবু সৌজন্য সাক্ষাৎকালে একথা জানান। বৈঠকে তারা দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, মোহাম্মদ বিন সাবু বিপুল সংখ্যক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদেরকে আশ্রয় প্রদানে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করে বলেন যে তার দেশ এসব রোহিঙ্গার নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এবং মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার ভাতৃপ্রতীম সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এই সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আরও ঘনিষ্ঠ হবার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।
ইহসানুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারের নাগরিকদের তাদের দেশে ফেরত নেয়ার বিষয়ে মিয়ারমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য তার সরকার একটি দ্বীপের উন্নয়ন ঘটাচ্ছে। যেখানে তাদের স্থানান্তর করা হবে।মালয়েশীয়মন্ত্রী বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করে বলেন, তার দেশ এই রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
প্রেস সচিব জানান, শেখ হাসিনা এবং মোহাম্মদ বিন সাবু দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া প্রতিরক্ষা প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি সহযোগিতার বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক(এমওইউ) সইয়ের ব্যাপারে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. নজিবুর রহমান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার(পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহফুজুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন।