Thursday, September 17

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের ৭ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইইউ’র নিষেধাজ্ঞা

0

মানবাধিকার লঙ্ঘন, রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নৃশংস অভিযানে নেতৃত্ব দেয়ায় একজন জেনারেলসহ মিয়ানমারের সাত উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
অভিযুক্ত সাত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সোমবার সংবাদ সংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মিয়ানমারের সাত সেনা কর্মকর্তার সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইইউ। এছাড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা বাড়ানো, ইইউতে প্রশিক্ষণ ও পারস্পরিক সহযোগিতা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর ক্লিয়ারেন্স অপারেশনে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। এ কারণে অভিযুক্ত সাত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ইইউ ঘোষণার পর, মিয়ানমার সোমবার সেনাবাহিনীর একজনকে বরখাস্ত করেছে। এর আগে মিয়ানমারের কাছে অস্ত্র বিক্রি এবং দেশটির সেনাবাহিনীকে যেকোনোও ধরনের প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইইউ।

দেশটির পশ্চিমাঞ্চল রোহিঙ্গা কমান্ড প্রধান মেজর জেনারেল মং মং সোয়ে মার্কিন ওই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েন। গতবছরের শেষের দিকে তাকে রাখাইন থেকে প্রত্যাহার করে নেয় দেশটির সেনাবাহিনী। ওই সময় রাখাইনে পশ্চিমাঞ্চল কমান্ডের অভিযানের সময় চালানো নৃশংসতা ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী এই কর্মকর্তা। এইট সিকিউরিটি পুলিশ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার থ্যান্ট জিন ও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন। বিচারবহির্ভূত হত্যা, রোহিঙ্গাদের বাড়ি-ঘরে পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধেও।

দেশটির সেনাবাহিনীর আরও পাঁচ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইইউ, তাদের সবাই জেনারেল পদমর্যাদার।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.