প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পাঁচটি বাস শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) উল্টোপাশে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বাসগুলো হস্তান্তর করা হয়। বাসচাপায় ওই প্রতিষ্ঠানের দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে শিক্ষার্থী পরিবহনের জন্য এ বাস পাঁচটি দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সহকারী প্রেস সচিব আশরাফ সিদ্দিকী বিটু ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, আওয়ামী লীগের প্রতি মানুষের প্রত্যাশা বেশি, আওয়ামী লীগ প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করে, কথা দিলে কথা রাখে বিভ্রান্ত হবেন না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই পাঁচটি বাস দেওয়া হচ্ছে। গত রোববার বাসচাপায় ওই প্রতিষ্ঠানের দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি বাস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।আশরাফ সিদ্দিকী বিটু তার ফেসবুক পাতায় আরও লিখেন, আওয়ামী লীগের প্রতি মানুষের প্রত্যাশা বেশি, আওয়ামী লীগ প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করে, কথা দিলে কথা রাখে বিভ্রান্ত হবেন না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া শিক্ষার্থী পরিবহনের জন্য একটি দ্বিতল বাস, তিনটি একতলা বাস ও একটি ৩০ আসন বিশিষ্ট কোস্টার উপহার হিসেবে হস্তান্তর করেন।
ঢাকা অঞ্চলের ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক এবং ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুল ও কলেজের প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং লজিস্টিক এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল আতাউল হাকিম সরোয়ার হাসান কলেজের পক্ষ থেকে গাড়িগুলোর চাবি বুঝে নেন।
গাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, অধ্যক্ষ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
গত রোববার ২৯ জুলাই কর্মিটোলায় বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়।
এরপর বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নিহত দুই শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যদের নিজ কার্যালয়ে নিয়ে এসে সান্ত্বনা ও সমবেদনা জানান। এসময় নিহত দুই শিক্ষার্থীর প্রত্যেক পরিবারকে ২০ লাখ টাকা করে মোট ৪০ লাখ টাকার পারিবারিক সঞ্চয়পত্র দেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজকে পাঁচটি বাস দেওয়াসহ নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে ও দুর্ঘটনারোধে রমিজ উদ্দিন স্কুল সংলগ্ন বিমানবন্দর সড়কে আন্ডারপাস নির্মাণ, দেশের প্রতিটি স্কুল সংলগ্ন রাস্তায় স্পিড ব্রেকার বসানো এবং শুধু স্কুলের জন্য প্ল্যাকার্ড সম্বলিত বিশেষ ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ দেওয়ার ঘোষণা দেন।