Saturday, August 29

শার্শায় ১৭ জন বায়োফ্লক আগ্রহী উদ্যেক্তা নিয়ে প্রশিক্ষন কর্মশালা

0

মোঃ আয়ুব হোসেন পক্ষী, বেনাপোল ( যশোর) প্রতিনিধি :বর্তমানে বর্জ্য থেকেই খাদ্য তৈরি করে মাছকে খাওয়ানোর অভিনব প্রযুক্তির উদ্ভাবন হয়েছে যার নাম“বায়োফ্লক” নতুন এই পদ্ধতি অনেক বেশি সম্ভাবনাময় ও লাভজনক। তুলনামূলক অল্প বিনিয়োগে বিজ্ঞানসম্মত এই পদ্ধতি আকৃষ্ট করতে পারে নতুন উদ্যোক্তাদের।
বায়োফ্লক হল প্রোটিন সমৃদ্ধ জৈব পদার্থ এবং অণুজীব, ফ্লক পানিতে ভাসমান বা নিমজ্জিত অবস্থায় থাকতে পারে। ফ্লকে প্রচুর প্রোটিন ও লিপিড রয়েছে। যাহা মাছ বা চিংড়ির গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যের উৎস, যেমন- ডায়াটম, ব্যাকটেরিয়া, প্রোটোজোয়া, অ্যালজি, ফেকাল পিলেট, জীবদেহের ধ্বংসাবশেষ এবং অন্যান্য অমেরুদণ্ডী প্রাণী ইত্যাদির ম্যাক্রো-এগ্রিগেট।
বায়োফ্লকে মাছ চাষের জন্য পানি ব্যবস্থাপনা ও ফ্লক একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। যেকোন মাছ বা চিংড়ি চাষ বা বায়োফ্লক প্রজেক্ট করার আগে পানির উৎস কি হবে এবং তার গুণাগুণ বা ব্যবহারের উপযোগীতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা সবচেয়ে জরুরী বিষয়।

দেশের বিভিন্ন জেলার মত যশোরের শার্শা উপজেলা মৎস্য অফিসের পরামর্শে শার্শায়ও বায়োফ্লকের বেশ কিছু উদ্যেক্তা নিয়ে শুরু হয়েছে ট্রেনিং বা প্রশিক্ষন কর্মশালা। মঙ্গলবার সকাল ১০ টার সময় সীমান্ত প্রেসক্লাব বেনাপোল প্রধান কার্যলয়ে বায়োফ্লকের ১৭ জন আগ্রহী উদ্যেক্তা নিয়ে প্রশিক্ষন বা পরামর্শ দিলেন শার্শা উপজেলা মৎস্য অফিসার জনাব মোঃ আবুল হাসান।

এসময় মৎস্য অফিসার আবুল হাসান বলেন, বায়োফ্লোক প্রযুক্তি মাছ চাষের একটি টেকসই এবং পরিবেশগতভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ পদ্ধতি৷ যা পানির গুনমান এবং ক্ষতিকারক রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু নিয়ন্ত্রণ করে৷ জলীয় খামার ব্যবস্থার জন্য মাইক্রোবায়াল প্রোটিন খাদ্য হিসেবে সরবরাহ করে। বায়োফ্লোক প্রযুক্তির মূলত বর্জ্য পুষ্টির পুর্নব্যবহারযোগ্য নীতি৷ বিশেষ করে নাইট্রোজেন, মাইক্রোবায়াল জৈব বস্তুপুঞ্জের মধ্যে খাবারের খরচ কমাতে এবং মাছের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ‘বায়োফ্লক’ প্রযুক্তি যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করি।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.