Saturday, September 12

শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে চবির মায়া হরিণ

0

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ১০৮ নম্বর রুম থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা সেই মায়া হরিণটিকে বাঁচানো যায় নি। গতকাল বিকেলে মারা গেছে চবির সেই মায়া হরিণটি।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র।

প্রসঙ্গ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) থেকে একটি মায়া হরিণকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিলো। পরে চিকিৎসার জন্য হরিণটিকে এ্যাম্বুল্যান্সে করে চট্টগ্রাম ভ্যাটেনারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হয়। সেখান থেকে চিকিৎসা শেষে হরিণটি নেয়া হয়েছিল চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায়।

গত বৃহস্পতিবার চবির বিজ্ঞান অনুষদের পেছন থেকে রসায়ন বিভাগের কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী সালেহ আহমেদ হরিণটিকে উদ্ধার করেন। তিনি জানান, হরিণটি অনুষদের ১০৮ নং রুমের জানালায় আটকা পড়েছিলো আমরা সকাল সাড়ে নয়টার দিকে হরিণটিকে জানালায় ঝুলে থাকা অবস্থায় পাই। তাৎক্ষণিক চেয়ারম্যান স্যারকে অবহিত করি। পরে প্রক্টরিয়াল বডির সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে রসায়ন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন বলেন এর আগেও বিজ্ঞান অনুষদের পেছনের পাহাড় থেকে হরিণ পাওয়া গেছে। পরে আমরা উদ্ধার করে প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সহায়তায় ছেড়ে দেই। তবে, এ হরিণটিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দেখতে পেয়ে আমি নিজেই শঙ্কিত। ধারণা করা হচ্ছে দুটি হরিণের মধ্যে লড়াই করার সময় এটি আহত হয়ে আটকা পড়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, রসায়ন বিভাগে একটি হরিণ আটকা পড়েছে এমন খবর পেয়ে আমরা তাকে উদ্ধার করেছে, হরিণটি বেশি আঘাত পাওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছিলো

প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আফতাব হোসেন বলেন, উদ্ধারের সময় হরিণটি জখম ছিল। এটিকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম পাঠানো হয়েছিলো সেখানে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিলো তিনি বলেন, এটি মায়া হরিণ। এই প্রজাতির হরিণ বাংলাদেশে মহা সংকটাপন্ন প্রাণী। তাই এই প্রাণীটাকে যেন সুস্থ করে বনে পাঠানো যায়, তা অত্যন্ত জরুরী ছিলো। হরিণটির কোমরে ও পেছন পায়ে আঘাতের ফলে নড়াচড়া করতে পারছিলো না। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় রক্তপাতের চিহ্ন রয়েছিলো

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.