
হাটহাজারী ডাকবাংলোতে বাংলাদেশ টুডে’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধান অতিথি ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি বক্তব্য রাখছেন।
চট্টগ্রাম, হাটহাজারী: ৮ ডিসেম্বর রোববার অপরাহ্নে হাটহাজারী ঐতিহাসিক ডাকবাংলো মিলনায়তনে দি বাংলাদেশ টুডে পত্রিকার ১৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান আনন্দঘন পরিবেশে কেক কাটা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন হাটহাজারী প্রেস ক্লাবের প্রাক্তণ সভাপতি, স্বাধীন সংবাদপত্র পাঠক সমিতি’র কেন্দ্রীয় সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক এস এম জামাল উদ্দিন। বাংলাদেশ টুডে’র হাটহাজারী প্রতিনিধি ও হাটহাজারী সমাচার সম্পাদক- সাংবাদিক কে এম ইউসুফ এর পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন-প্রাক্তণ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ টুডে’র বিভাগীয় ব্যুরো চিফ সাংবাদিক এস এম আকাশ, সিনিয়র রিপোর্টার কাজী হাবিব রেজা, হাটহাজারী মডেল থানার নব নিযুক্ত অফিসার ইনচার্জ মাসুদ আলম, ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শামিম, ধলই ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর জামান সিআইপি, মন্ত্রী’র ব্যাক্তিগত সহকারী সৈয়দ মন্জুরুল আলম, ক্যাব সভাপতি সাংবাদিক ন ম জিয়াউল হক, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী শারমিন ইকবাল, হাটহাজারী ব্যাংকার্স এসোশিয়েসন’র সভাপতি মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাক জাহাঙ্গীর আলম, ইসলামী ব্যাংকের হাটহাজারী শাখা ব্যবস্থাপক শেখ মুহাম্মদ ওমর, সাংবাদিক রেজাউল হাসান মিন্টু, মানবাধিকার নেতা বোরহান উদ্দিন, রহিম উদ্দীন চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ টুডে’র নগর প্রতিবেদক এস এম আরজু ও সাগর, কবি জাহাঙ্গীর হাসান, স্মাইল বাংলাদেশ’র গাজী রাসেল হাসান, হাটহাজারী ব্লাড ব্যাংকের এডমিন ছানাউল্লাহ্ ও তানভীর, জোবায়দা, মানিক, খাদিজা, ওয়াহিদ পারভেজ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি বলেন,‘সংবাদপত্র জনগনের মূখপত্র, সাংবাদিকরা জাতির জাগ্রত বিবেক। তিনি বলেন- দেশ ও জাতি গঠনে বাংলাদেশ টুডে পত্রিকাটির গুরুত্ব ও ভূমিকা অপিরিসীম’।ব্যারিষ্টার আনিস সাংবাদিকদেরকে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি আত্মসামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডের ধারাবাহিক প্রকাশনা অব্যাহত রাখার আহবান জানান।
বাংলাদেশ টুডে পত্রিকার সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা প্রাক্তণ মন্ত্রী ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও উপস্থিত সূধীবৃন্দের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানান। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথিসহ সকল অতিথিদের সম্মানার্থে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।