Thursday, August 20

চিলমারীতে ঘড়িকান্ডে থেমে নেই দক্ষিণ রাধাবল্লভ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক
সংবাদ প্রকাশের পর ভুয়া বিল ভাউচার সঠিক করতে ক্লাস রুমে লাগালো ৪ ঘড়ি

0

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ঘড়িকান্ডে থেমে নেই দক্ষিণ রাধাবল্লভ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের । ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে চিলমারী উপজেলার দক্ষিণ রাধাবল্লভ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একলক্ষ টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়। চলতি বছরের জুন মাসে বরাদ্ধের টাকা উত্তোলন করা হলেও ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি এবং কৌশলে অবলম্বন করে সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠে। অভিযোগে একটি ঘড়ির মুল্য ৮ হাজার ৫শত টাকা ক্রয় দেখালেও বাস্তবে একটি ঘড়ি ক্রয় করে ১৫০০ টাকা দিয়ে বাকি টাকার আত্মসাত। এছাড়াও পুরাতন বুক সেলফ দেখিয়ে পুরো টাকা লোপাট। সম্প্রতি জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন সহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রধান শিক্ষকের টাকা আতœসাতের সংবাদটি প্রকাশ হলে ,দৌড়ঝাপ শুরু করেন প্রধান শিক্ষক বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য। অবশেষে কৌশল অবলম্বন করে নিজেকে নির্দোষ প্রমান করতে তড়িঘড়ি করে ৪টি ক্লাস রুমে ঘড়ি লাগিয়ে দেন একদিন পরে।
এব্যাপারে সকল শিক্ষার্থীদের কেউ জিজ্ঞেস করলে চুপ থাকারও নির্দেশ দেন প্রধান শিক্ষক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সহকারী শিক্ষকরা জানান সংবাদটি প্রকাশ হওয়ার পর গত রবিবার (১ ডিসেম্বর) প্রধান শিক্ষক ৪টি ঘড়ি কিনে আনেন এবং তা আমারাই লাগিয়ে দেই ক্লাস রুমে।
কিছু শিক্ষার্থী এ ব্যাপারে কথা বলতে নারাজ থাকলেও কৌশলে জানা যায়, স্যার বলছেন কেউ যদি বলে ঘড়ি কবে লগোনো হয়েছে সবাই বলবে ২মাস আগে।

কিন্তু বেশ কিছু শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঘড়ি রবিবারে লাগানো হয়েছে এবং তারা ভয় পেয়ে বলেন, এই কথা স্যার জানলে আমাদের মারবে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে উক্ত প্রধান শিক্ষক ঘড়ি ক্রয় উপজেলা অঙ্গনা স্টোরের ভাউচার দেখালেও তা ভুয়া বলে দাবি করেন অঙ্গনা স্টোরের মালিক। শুধু তাই নয় আরও জানা গেছে বুক সেলফ ক্রয় বাবদ যে ভাউচারটি তৈরি করা হয়েছে সেটিইও ভূয়া কৌশলে উপজেলা শিক্ষা অফিস কর্তৃক অনুমোদন নেন। শুধু তাই নয় আরো বেশ কিছু ভুয়া বিল ভাউচার নিজে তৈরি করে বেশির ভাগ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

এ ব্যপারে ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এমদাদুল হক এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, আপনারা তো সবই জানেন, আমরাও তো মানুষ, যাই হোক আর লেখালেখি করিয়েন না পরে বসে কথা বলব।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.