প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের উন্নয়নের জন্য দরকার শিক্ষা ও শিক্ষিত জনগোষ্ঠী। এজন্যই আমরা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। যেটির পথ দেখিয়েছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, উচ্চশিক্ষার গুরুত্ব বুঝে জাতির জনক দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন গঠন করেছিলেন। একই সঙ্গে শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশিষ্ঠ বিজ্ঞানী কুদরত-ই-খুদার নেতৃত্বে কুদরত-ই-খুদা কমিশন গঠন করেছিলেন। সেই কমিশন ৭৪’র ডিসেম্বরে রিপোর্ট পেশ করে। কিন্তু দুর্ভাগ্য পচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে হত্যা করার মধ্য দিয়ে ওই প্রতিবেদন ছুড়ে ফেলে দেওয়া হলো।
আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আয়োজিত মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে আমরা শিক্ষা কমিশন গঠন করি। কিন্তু সেই কমিশনের প্রতিবেদনও বাস্তবায়ন করা যায়নি। আমাদের মেয়াদ ফুরিয়ে যায়। বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় এসে দেশকে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ উপহার দেয়।
শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে আমরা আবার একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করি। সেই কমিশনে রিপোর্ট অনুযায়ী শিক্ষানীতি পরিচালিত হচ্ছে। দেশে শিক্ষার হার বাড়ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান। কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে স্বর্ণপদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।