Wednesday, August 19

সহযোগীতা পেলে বাঁচতে পারে ক্যান্সারে আক্রান্ত মেধাবী ছাত্রী হ্লামেনু

0

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বান্দরবানে রুমার সাংঙ্গু কলেজের এইচএসসি ১ম বর্ষের মেধাবী ছাত্রী হ্লামেনু মারমা। তিনি রুমা উপজেলা তংমক পাড়া গরীব বর্গা চাষী ক্যমং মারমার সাত সন্তানের মধ্যে ৪র্থ কণ্যা সন্তান। প্রত্যন্ত অঞ্চলে জন্ম তার। সেই ছোটকাল থেকে হ্লামেনুর স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে ডাক্তার হবে। ডাক্তার হয়ে দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের সেবা দিতে চেয়েছিল। তার সেই স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হতে চলেছে।

এখন বেঁচে থাকতে পারাটাই যেন স্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে গরীব মেধাবী ছাত্রী হ্লামেনুর। তিনি দুরারোগ্য ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত। দিন দিন তার শারীরিক অবস্থা অবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। বর্তমানে আর্থিক সংকটে আটকে আছে তার চিকিৎসা। তার ক্যান্সার থেকে পরিপূর্ণ সুস্থ হতে হলে খরচ প্রায় লাক খানিক টাকা প্রয়োজন। এদিকে সারাবিশ্বের করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এমন পরিস্থিতে কোন বিত্তবান, মহান ব্যক্তি সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসলেই বাঁচতে পারে পাহাড়ী মেধাবী ছাত্রী।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৭-৮ মাস আগেই অসুস্থবোধ করলে পরিবারের সদস্যরা ডাক্তারের কাছে শরণাপন্ন হয়। পরে তাকে চেকআপ করা হলে ‘ব্রেস্ট ক্যান্সার’ ধরা পড়ে। তারপর উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা নিতে যায়। সেখানে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রথম ধাপে ৩০হাজার টাকা জমা দিয়ে অপারেশন করানো হয়। পরবর্তী ধাপে ডাক্তারের রিপোর্টের জন্য কমপক্ষে সপ্তাহ খানিক লাগবে বলে জানান হাসাপাতালের কর্তৃপক্ষ। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আর্থিক সংকটের কারণে অপারেশনের পর পরই চট্টগ্রাম হতে বান্দরবান সদর হাসপাতালের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এসে রোগীকে ভর্তি করানো হয়। আর্থিক অভাবের কারণে ঠিকমত চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। এতে অপারেশনের ক্ষতস্থানটি দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। বান্দরবানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বার বার উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র রেফার করা হলেও আর্থিক অনটনের কারণে পরিবারের সদস্যদের পক্ষে তা সম্ভব হচ্ছে না।

অসহায় গরীব জুমচাষী হ্লামেনুর বাবা ক্যমং মারমা বলেন, আমার পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৯জন। ২ ভাই ৫ বোনের মধ্যে হ্লামেনু ৪র্থ মেয়ে। হ্লামেনু ছোটকাল থেকে যেকোন কাজে সে পারদর্শী।

বর্গা চাষ করে কোনরকম খেয়ে না খেয়ে পরিশ্রম করে মেয়ের লেখাপড়ার ভরণ পোষণ করেছি। আমি যেহেতু লেখাপড়া জানি না। আমার স্বপ্ন ছিল তাকে সুশিক্ষিত করে দেশ ও দশের মানব সেবায় নিয়োজিত করবো। সে সুশিক্ষিত হয়ে চাকুরী করলে আমাদের সংসারের টানাপোড়েন কিছুটা হলেও লাঘব হবে। কিন্তু ঘাটক ক্যান্সার নামের রোগটি অসহায় পরিবারটিকে হামলা করেছে। মেয়েকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে আমার যা আছে সর্বশান্ত হয়ে গেছে। তাছাড়া প্রতিদিন তার চিকিৎসা বাবদ খরচ এক থেকে দুই হাজার প্রয়োজন।

চিকিৎসকরা বলছেন, দ্রুত উন্নত চিকিৎসা করালে সুস্থ জীবনে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে হ্লামেনু মারমা। তার পরিপূর্ণ চিকিৎসায় করাতে অর্থ ব্যয়বহুল। এই অর্থের ব্যবস্থা হলেই বেঁচে যেতে পারেন তিনি। কিন্তু গরীব অসহায় একজন খেতেখাওয়া বর্গাচাষীর পক্ষে ব্যয়বহুল এই চিকিৎসা করার সক্ষমতা নেই পরিবারের।
তাই মেয়েকে বাঁচাতে কোন উপায় না দেখে অসহায় অবস্থায় হাসপাতালে মেয়ের পাশে বসে আছে মা বাবা। তারা আকুতি মিনতি করে আকুল আবেদন জানিয়েছেন সমাজে স্ব-হৃদয় ও বিত্তবান ব্যক্তিদের প্রতি।

মেধাবী ছাত্রী হ্লামেনু মারমা জন্য সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা
রোগীর পিতার নম্বর- 01863274623
*উদ্যোক্তা মংক্যানু -01537275767
#রকেট নাম্বারঃ-
* উদ্যোক্তা চহ্লা মারমা-০১৫৫৭৩১১২৭৯-২
বিকাশ করুন এই নম্বরেঃ-
রোগীর প্রতিবেশী বড় বোন নুচিং মারমা- 01846421909

বিদ্রঃ সাহায্য পাঠানো পূর্বে অবশ্যই যোগাযোগ করে নিবেন,আর রোগী সাথেও কথা বলতে পারবেন।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.