সাদার্ন ইউনিভার্সিটিতে পুরকৌশল বিভাগের উদ্যোগে“ইজিবাইকের প্যাসেঞ্জার-কার ইউনিট/ইকুইভ্যালেন্ট (পি.সি.ই) নির্ণয়“শীর্ষক সেমিনার সম্প্রতি সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার এম. আলী আশরাফ, পিইঞ্জ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পুরকৌশল বিভাগের প্রভাষক অংকন মহাজন। সেমিনারে বিভাগের শিক্ষকবৃন্দসহ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রবন্ধে ইঞ্জিনিয়ার অংকন মহাজন খুলনা অঞ্চলের রাস্তার ইজিবাইকের প্রভাব জানার জন্য ইজিবাইকের পিসিই নির্ণয় সম্পর্কে আনুমানিক ধারণা, সংশ্লিষ্ট গবেষণা পত্র পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন।
ইঞ্জিনিয়ার অংকন মহাজন তাঁর প্রবন্ধে উল্লেখ করেন- রাস্তার গাড়ির ধারণ ক্ষমতা নির্ণয়ের জন্য প্রত্যেক যানবাহনের প্যাসেঞ্জার কার ইকুইভ্যালেন্ট (পি.সি.ই) নির্ণয় করার প্রয়োজন পড়ে। রাস্তায় সচরাচর চলাচল করা যানবাহনসমূহের পি.সি.ই সুনির্দিষ্ট। রাস্তায় যখন নতুন ধরনের কোন যানবাহনের অনুপ্রবেশ ঘটে তখন রাস্তার যানবাহনের ধারণ ক্ষমতা পরিবর্তিত হয়। তখন ঐ নতুন যানবাহনের অনুপ্রবেশের কারণে রাস্তার ধারণ ক্ষমতা কতটুকু পরিবর্তিত হচ্ছে তা জানার জন্য ঐ নতুন যানবাহনের পি.সি.ই জানা জরুরি হয়ে পড়ে। বাংলাদেশে ইজিবাইক নামক গাড়ির সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।
গবেষণায় দেখা যায়- অন্যান্য কম গতি স¤পন্ন গাড়ির ন্যায় ইজিবাইকের পি.সি.ই নির্ণয়ের ক্ষেত্রে মডেল ডেভেলপমেন্ট করার জন্য এসপিএসএস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় এবং ইজিবাইকের পি.সি.ই ০.৬৪-০.৮২ এর মধ্যে পরিবর্তিত হয় এবং এই ধরনের কম গতি স¤পন্ন গাড়ির অণুপ্রবেশের কারণে রাস্তায় দ্রত গতি স¤পন্ন গাড়ির গতি ক্রমাগতভাবে হ্রাস পাচ্ছে এবং যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
ছবির ক্যাপশান: ইজিবাইকের প্যাসেঞ্জার কার ইকুইভ্যালেন্ট (পি.সি.ই) নির্ণয় সম্পর্কে আলোচনা করছেন ইঞ্জিনিয়ার অংকন মহাজন