সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কালিয়াকুঠা হাওরে ঝড়ের কবলে পড়ে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারডুবির ঘটনায় শিশুসহ নিহতের সংখ্যা ৯ জন। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন একজন।
এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয় ডুবুরি দল ও এলাকাবাসী চার শিশুসন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে। তারা হলেন- মাছিমপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে শামীম (৩), একই গ্রামের বদরুল মিয়ার ছেলে আবিদ (৪), নোয়ারচর গ্রামের আফাজরে ছেলে সোহান (২) ও চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া গ্রামের ফিরোজ আলীর ছেলে আজম (২) লাশ উদ্ধার করে।
বুধবার সকালে আরো চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। বুধবার ভোরে একই বিলে আরও চারজনের মরদেহ পাওয়া যায়। তারা হলেন- দিরাই উপজেলার রফিনগর ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামের রইতনু নেছা (৩৫), একই গ্রামের শান্তা বেগম (৪), চরনাচর ইউনিয়নের পেরুয়া গ্রামের করিমা বেগম (৬২) ও নোয়ার চর গ্রামের আসাদ মিয়া (৬)।
উপজেলার পেরুয়া গ্রামের ফিরোজ আলীর ছেলের বিয়ে আজ বুধবার। বিয়েতে যাওয়ার জন্য মঙ্গলবার নৌকায় রওনা হন মাছিমপুরে থাকা ফিরোজ আলীর স্বজনরা। কালিয়াকুঠা হাওরে পৌঁছালে ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকাটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় প্রায় ১১ নিখোঁজ ছিল।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মঙ্গলবার রাতে সময় মাছিমপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে শামীম, একই গ্রামের বদরুল মিয়ার ছেলে আবিদ, নোয়ারচর গ্রামের আফাজরে ছেলে সোহান ও চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া গ্রামের ফিরোজ আলীর ছেলে আজম লাশ উদ্ধার করে। বুধবার সকালে আরো চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এনিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো আটজন।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম নজরুল বলেন, এখন পর্যন্ত শিশুসহ আটজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।