মোঃ হযরত বেল্লাল, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র চলছে ভূগর্ভস্থ থেকে বালু উত্তোলনের হিড়িক। এক শ্রেনির অসাধু ও প্রভাবশালী মহল প্রশাসনের নাকের ডগার উপর দিয়ে দিন দুপুরে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। অথচ প্রশাসন নিরব ভুমিকা পালন করছে। সরকারি বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে যত্রতত্র বালু উত্তোলন করায় পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়েছে। গত আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরকারিভাবে বালু মহল ঘোষণা করার কথা বললেও আজ তা বাস্তবায়ন করা হয়নি । যার কারনে প্রভাবশালী ও অসাধু মহল নিজ কাজের জন্য এমনকি ব্যবসা করার জন্য যত্রতত্র বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে উপজেলার বেশ কয়েকজন তহশীলদার জানান- উপজেলার ধোপাডাঙ্গা, ছাপড়হাটী, বেলকা, সোনারায়, বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে দিন দুপুরে অথবা রাতের অন্ধকারে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। তহশীলদারদের কথা তোয়াক্কা করছেন না তারা। বিভিন্ন ইউনিয়নে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে কম বেশি প্রতিটি ইউনিয়নে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বালু উত্তোলনের কারনে বিভিন্ন রাস্তাঘাট এবং আবাদি জমি দেবে যাচ্ছে। এমনকি বালু উত্তোলনের গর্তে পড়ে গত ৬মাসের ব্যবধানে দুই শিশু মারা গেছে। বেলকা
বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক মিয়া জানান বেলকায় প্রতিনিয়ত বালু উত্তোলন করছে একটি মহল। তিনি বলেন, প্রশাসনকে বললে ২ হতে ১দিন বন্ধ থাকে। এরপর আবার শুরু হয় বালু উত্তোলন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম গোলাম কিবরিয়া জানান বিভিন্ন এলাকা থেকে বালু উত্তোলনের খবর পাওয়া যায়। প্রশাসনের লোক যাওয়ার আগে আবার বন্ধ হয়ে যায়। তিনি বলেন গত ৬মাসের ব্যবধানে বালু উত্তোলনের অপরাধে কমপক্ষে ২০টি স্যালো মেশিন পাম্পসহ জব্দ করা হয়েছে।