দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বিধ্বংসীরূপে দেখা দিয়েছিলেন জাতীয় দলের ওপেনার সৌম্য সরকার। তার সেই ফর্ম বিপিএলের পঞ্চম আসরেও অব্যাহত আছে।
আজ চিটাগং ভাইকিংসের হয়ে দলের প্রথম ম্যাচে নেমেছিলেন সৌম্য। তার ব্যাটেই উড়ন্ত সূচনা করেছিল চিটাগং। সৌম্যর বিদায়ের পরই ধস নামে তাদের ব্যাটিং লাইনআপে। তাই এই তরুণ ওপেনারের উইকেটটা খুব জরুরি ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ম্যাচসেরা সাইফ উদ্দিন।
আজ মঙ্গলবার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের দ্বিতীয় ম্যাচে ৩ উইকেট নিয়ে চিটাগংকে একাই গুঁড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। প্রথম জয় পেয়েছে কুমিল্লা। এই সাইফ উদ্দিনই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের শেষ টি-টোয়েন্টিতে ডেভিড মিলারের ৫ ছক্কার তাণ্ডবের শিকার হয়ে দেশে ফিরেছিলেন। আজ ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে বললেন, ‘এটা টুর্নামেন্টে আমাদের প্রথম জয়। ভালো লাগছে।
বিশেষ করে, জয়ের পিছনে আমার অবদান ছিল। এ জন্য ভালো লাগাটা অনেক বেশি। ‘
গত বিপিএলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের হয়েই খেলেছিলেন সাইফ উদ্দিন। তবে একাদশে নিয়মিত ছিলেন। সেভাবে আলো ছড়াতে পারেননি। এটা তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় বিপিএল। তরুণ এই অলরাউন্ডারের মতে, এখন তিনি আগের চেয়ে অনেক সমৃদ্ধ। এবার তিনি অনেক পরিণত। প্রথম ম্যাচে দল হারলেও ২ ওভারে রান দিয়েছিলেন মাত্র ৯। আজ দ্বিতীয় ম্যাচে মঙ্গলবার চিটাগং কিংসকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে কুমিল্লা। জয়ের নায়ক সাইফ উদ্দিন।
গত বিপিএলের সঙ্গে এবারের বিপিএলে নিজের মানসিকতার পার্থক্য নিয়ে সাইফ বলেন, ‘সত্যি বলতে, এবার আমার দ্বিতীয় বিপিএল। প্রথম ম্যাচে কিছুটা নার্ভাস ছিলাম। কিন্তু এবার খুব উপভোগ করছি। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর আমার জন্য অনেক কিছু শেখার উপলক্ষ্য ছিল। সেখান থেকে অনেক অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছি। ‘
আজকের ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট ছিল সৌম্য সরকারের উইকেট। লুক রনচির বিদায়ের পর একাই শাসন করছিলেন সৌম্য। শেষ পর্যন্ত তাকে ৩৮ রানে বোল্ড করে দেন সাইফ উদ্দিন। তিন বলের ব্যবধানে ফিরিয়ে দেন এনামুল হককেও। সাইফের ভাষায়, ‘উনি (সৌম্য) ভালোভাবে থিতু হয়ে গিয়েছিলেন। বেশ কিছু বাউন্ডারি মেরেছেন। তখন তার উইকেট পাওয়াটা জরুরি ছিল। আমি চেষ্টা করেছি তাকে ডট খেলানোর জন্য। তাতে সফল হয়ে উইকেট পেয়েছি। ‘
সম্ভাবনাময় এই পেস বোলিং অল-রাউন্ডারের চোখ এখন কেবল এগিয়ে যাওয়া।