মঈন বাঙ্গালী, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম: দুধ ব্যবসায়ী আরিফ হোসেন প্রতিদিন ৮০ লিটার তরল দুধ সংগ্রহ করেন, কিন্তু বিক্রি করেন ২৫০ লিটার। আরিফের তৈরি এসব তরল দুধ প্রতিদিন কনটেইনারে ভর্তি হয়ে চলে যায় বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে। কিছু যায় লোকজনের বাসাবাড়িতে আর কিছু বিক্রি করেন প্যাকেটজাত করে।
আসল দুধের সঙ্গে গুঁড়ো দুধ আর পানি মেশানোর কারবারের হদিস পেয়েছে হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে আমান বাজার এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে কারখানাটির সন্ধান মেলে। এই ঘটনায় ভেজাল দুধ বিক্রেতা আরিফ হোসেনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রুহুল আমিন সাংবাদিকদের বলেন, “আমান বাজার এলাকায় জয়নব ক্লাবের পশ্চিম পাশে মোতালেব ভবনে অভিযান চালানো হয় “ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি বাসায় কারখানাটির খোঁজ পাওয়া যায়।”
তিনি বলেন, আরিফ হোসেন বাসাটি ভাড়া নিয়ে ভেজাল দুধের ব্যবসা করতেন। প্রতিদিন সকাল নয়টা থেকে ১০টার মধ্যে তিনি গ্রাহকদের দুধ পৌঁছে দিতেন। “বাসায় প্রতি রাতে পাউডার দুধ গুলে তৈরি করতেন ১৫০ থেকে ১৮০লিটার তরল দুধ। এরপর আর সকালে বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা ৮০ লিটার গরুর দুধের সাথে গুঁড়ো দুধের তরল মিশিয়ে বিক্রি করতেন।”
ইউএনও বলেন, আরিফ প্রতিদিন দুই কন্টেইনার দুধ সংগ্রহ করেন। তার সাথে গুঁড়ো দুধ দিয়ে তৈরি তরল মিশিয়ে করা হয় আট কন্টেইনার। “আরিফ এসব দুধ বিভিন্ন মিষ্টির দোকান, বাসায় সরবরাহ করার পাশাপাশি প্যাকেটজাত করে খুচরা বিক্রি করতেন।”স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বাসাটি থেকে প্রতি রাতে মেশিনের শব্দ শোনা যেত। ওই মেশিনেই পাউডার মিশিয়ে তরল দুধ তৈরি করা হত বলে আমাদের ধারণা,”