লালমনিরহাট প্রতিনিধি : লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সিন্দুর্না লোকমান হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশ থেকে যে ১২০ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়েছে তা সরকারী চাল নয় বলে দাবী করেছেন জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীরা।
মঙ্গলবার দুপুরে হাতীবান্ধা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমন দাবী করেন তারা।
হাতীবান্ধা উপজেলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও সিঙ্গিমারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন দুলু বলেন, উদ্ধার হওয়া চাল ব্যবসায়ী শাহজাহান আলী পাটগ্রাম থেকে ক্রয় করেছেন। যড়ষন্ত্র মুলক ভাবে একটি মহল সরকারী চাল বানিয়ে নাটক তৈরীর চেষ্টা করেছেন।
এসময় পাটগ্রাম ইনশা আল্লাহ অটো রাইস মিলের পরিচালক রফিকুল ইসলাম রুমন বলেন, সরকারী সীলযুক্ত খালি ব্যবহারিক বস্তা গুলো রংপুর থেকে ক্রয় করে আমার প্রতিষ্ঠানে চাল ভর্তি করে বিক্রয় করেছি। বাজারে এমন হাজার হাজার বস্তা চাউল আছে। শাহজাহান আমার প্রতিষ্ঠান থেকে ওই চাল গুলো ক্রয় করেছেন।
চাল ব্যবসায়ী শাহজাহান বলেন, ট্রলি ও ট্রলি চালকের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি ট্রলি ভাড়া করি নাই। উল্লাস নামে এক ব্যক্তি ট্রলি ভাড়া করেছেন তিনি ভালো বলতে পাবেন কোন চাল নিয়ে যাওয়ার জন্য ট্রলি ভাড়া করেছেন। আমার চাল সরকারী চাল নয়। আমার চাল যড়ষন্ত্র মুলক ভাবে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপজেলা ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সিন্দুর্না ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুরল আমিন ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন তাজুসহ অর্ধশতাধিক চাল ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।