লালমনিরহাট প্রতিনিধি : হামা দিনমজুর মানসি বাবা। একদিন কাজ না কল্লে ভাত খাবার পাই না। যে শীত পচ্ছে তাতে কোন জাগাত কাজত যাবার পাই না। হামার যে গরম কাপর কেনমো সেই টাকা নাই এই খবর কাও নেয় না, সবায় খালি ভোট চায়। কথাগুলো বল ছিলেন হাতীবান্ধা উপজেলার চর ধুবনী গ্রামের কৃষক লোকমান হোসেন(৬০)।
চলতি শীত মৌসুমে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় বৃষ্টির পর শৈত্যপ্রবাহ এবং অব্যহত ঘনকুয়াশায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে শীতের তীব্রতা। প্রচন্ড শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বস্ত্রহীন তিস্তা পাড়ের শীতার্থ মানুষজন। এখন পর্যন্ত তাদের মাঝে কোন শীতবস্ত্র বিতরন করতে দেখা যায়নি। খরকুঠো জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছে এসব নিম্ন আয়ের লোকজন।
চর ধুবনী গ্রামের সোহেল রানা বলেন, গত কয়েক দিন আগে দিনভর বৃষ্টিতে সূর্য্যের দেখা মেলেনি। এরপর শুরু হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ আর ঘনকুয়াশা। একদিকে হিমালয়ের হিমেল হাওয়া আর শৈত্যপ্রবাহ অব্যহত ঘনকুয়াশায় কনকনে প্রচন্ড শীত নামছে। এখন পর্যন্ত সরকারী বা বেসরকারী কোন সংস্থা শীত বস্ত্র বিতরন করেন নাই।
দক্ষিন গড্ডিমারী গ্রামের বৃদ্ধ আবুল হোসেন ও জামাল জানান, শীতের গরম কাপড় কেনার টাকা নাই হামার তাই হামা আগুন জ্বালাইয়া গরম হই। তাছারা যে হামার কোন উপায় নাই। সবায় কয় হামাক ভোট দিলে এটা উন্নয়ন করমো ওটা উন্নয়ন করমো কিন্তু গরীবের খবর কাও নেয় না।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফেরদৌস আহম্মেদ জানান, চলতি শীত মৌসুমে প্রথম বারের মত ৪ হাজার পিছ কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। যাহা জাতীয় নির্বাচনের জন্য বিতরন এবং ইউনিয়ন ভিত্তিক বন্ঠন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে নির্বাচনের পর বিতরন করা হবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।