Sunday, September 13

হাসপাতালে আনার আগেই মারা যান আইয়ুব বাচ্চু

0

হাসপাতালে আনার আগেই না ফেরার দেশে চলে যান দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড আইকন আইয়ুব বাচ্চু। তাঁকে নিয়ে হাসপাতালে আনা হলে মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্চিল। সকাল ৯ টা ৫৫ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়। এমনটিই জানালো স্কয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে না ফেরার দেশে চলে যান দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড দল এলআরবির লিড গিটারিস্ট আইয়ুব বাচ্চু। রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়।

আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যু কিভাবে এর ব্যাখ্যা দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বেলা ১২ টার দিকে স্কয়ার হাসপাতালের পরিচালক ডা. মির্জা নাজিমুদ্দিন এক ব্রিফিংয়ে জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হার্ট অ্যাটাক হয় আইয়ুব বাচ্চুর। বাসাতেই সেটা হয়। ৯টা ৫৫ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়।
বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়লে স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসার সময় তিনি অচেতন ছিলেন। চেষ্টা সত্ত্বেও তাঁকে আর ফিরিয়ে আনা যায়নি বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ডা. মির্জা নাজিমুদ্দিন জানান, আইয়ুব বাচ্চুর গাড়ির চালক তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তখন জরুরি বিভাগে নেওয়া হয় তাঁকে। সেই সময় তাঁর মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল। জরুরি বিভাগেই মৃত অবস্থায় তাঁকে দেখতে পান হাসাপাতালের চিকিৎসকরা।
ডা. মির্জা নাজিম বলেন, ‘আইয়ুব বাচ্চু বহুদিন থেকে হৃদরোগে ভুগছেন। একজন স্বাভাবিক মানুষের চেয়ে কম রক্তচাপ ছিল তাঁর হার্টের, সর্বনিম্ন ছিল ত্রিশের ঘরে। এই রোগটির নাম কার্ডিও-মাইওপ্যাথি।

চিকিৎসক জানান, হৃদরোগের কারণে আইয়ুব বাচ্চু গত কয়েক বছর বারবারই হাসপাতালে এসেছেন চিকিৎসার জন্য। ডা. মির্জা আরো জানান, ২০০৯ সালে তাঁর হার্টে রিং পরানো হয়। দুই সপ্তাহ আগে শেষ তিনি স্কয়ার হাসপাতালে এসেছিলেন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ১৬ অক্টোবর রাতে রংপুরে একটি গানের অনুষ্ঠানে অংশ নেন বাচ্চু। বুধবার রাত থেকেই তিন অস্বস্তি বোধ করছিলেন। সকাল ৮টার দিকে বাসা থেকে তাঁকে নিয়ে হাসপাতালের দিকে রওয়ানা হন স্বজন ও রাশেদ। তড়িঘড়ি তাকে স্কয়ার হাসপাতালে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু আনুমানিক সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত্যুকালে আইয়ুব বাচ্চুর বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। ১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আইয়ুব বাচ্চু। ‘চলো বদলে যাই’, ‘ফেরারি মন’, ‘এখন অনেক রাত’, ‘হকার’, ‘আমি বারো মাস তোমায় ভালোবাসি’,‘বাংলাদেশ’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা তিনি। সঙ্গীতজগতে তিনি এবি নামে পরিচিত হলেও তাঁর ডাকনাম ছিল রবিন। এ নামেও তিনি নব্বইয়ের দশকে একক এলবাম বের করেন।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.