ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে,নৌ-মন্ত্রী শাহজাহান খানের পদত্যাগ ও নিরাপদ সড়কসহ ৯দফা দাবিতে সারাদেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জের বন্দরেও বৃহস্পতিবার সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালণ করেছে শিক্ষার্থীরা।
সারাদেশের ন্যায় বন্দরের নবীগঞ্জ কবিলের মোড় এলাকায় অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালণ করতে গিয়ে বন্দর থানার জনৈক পুলিশ কর্মকর্তার মোটর সাইকেল আটক করে ছাত্ররা। এ সময় থানার অপর এক কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে হাজিরর হলেও তারা উপস্থিত শিক্ষার্থীদের কাছে অনুনয় বিনয় করে মোটরবাইকটি ছাড়িয়ে নেন। ঘটটনাটি এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
তৃতীয় দিনে কদমরসুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সকাল থেকেই নবীগঞ্জ কবিলের মোড় এলাকায় উপজেলা চেয়ারম্যান মুকুলের বাড়ির সামনে অবস্থান করে এসকল কর্মসূচী পালণ করে। এ সময় তারা ওই রুটে চলাচলকৃত বাস, ট্রাক, কভার্ডভ্যান, পিকাপ, সিএনজিসহ সকল প্রকার হাল্কা ও ভারী যানবাহন আটক করে কাগজপত্র তল্লাশি করে। তাদের অভিযানে বন্দর থানা পুলিশের পিকাপ ও মোটর সাইকেলও ছাড় পায়নি।
কর্মসূচী চলাকালে ছাত্রদের আটককৃত ১টি ট্রাকের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় বন্দর থানার সাব-ইন্সপেক্টর সাইয়্যাদুর রহমান (নারায়ণগঞ্জ-৮০২.০০৬-৫৮ নম্বরের) একটি ট্রাকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেন।
ছাত্ররা পরিবহণ তল্লাশীর পাশাপাশি নানা শ্লোগানে মুখরিত করে তোলে। একই সময় থানার ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের মদনপুর বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক অবরোধ ও বিভিন্ন পরিবহণ আটক করে কাগজপত্র পরীক্ষা করে সেখানকার শিক্ষার্থীরা। এসব অভিযান চলাকালে বন্দরের বিভিন্ন অঞ্চলের গাড়ী চলাচল কিছুটা অপ্রতুল দেখা যায়। এ কারণে গোটা বন্দরে অচলাবস্থা বিরাজ করে।