Saturday, August 22

৩ বিভাগে চলছে পেট্রল পাম্প মালিকদের ধর্মঘট

0

১৫ দফা দাবিতে সকাল থেকে রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের সব পেট্রোল পাম্পে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু হয়েছে। আজ সকাল ৬টা থেকে তিন বিভাগেরই পাম্প থেকে জ্বালানি তেল উত্তোলন, পরিবহণ ও বিক্রি বন্ধ রয়েছে।

এর আগে ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে জ্বালানি তেল বিক্রির কমিশন ন্যুনতম সাড়ে সাত শতাংশ করা, ট্যাংকলরির ভাড়া বৃদ্ধি, পুলিশী হয়রানি বন্ধসহ ১৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হওয়ায় ধর্মঘটের ডাক দেন তারা।

কিন্তু দাবি মেনে না নিয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একটি বৈঠক থেকে ১৫ ডিসেম্বর আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ প্রস্তাব মেনে নেয়া সম্ভব নয়। পেট্রলপাম্প মালিক-শ্রমিকদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। এ কারণে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে।

১৫ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- জ্বালানি তেল বিক্রয়ের প্রচলিত কমিশন কমপক্ষে ৭.৫% করতে হবে, জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীরা কমিশন এজেন্ট নাকি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান বিষয়টি সুনির্দিষ্ট করতে হবে, প্রিমিয়াম পরিশোধ সাপেক্ষে ট্যাংক লরি শ্রমিকদের ৫ লাখ টাকা দুর্ঘটনা বীমা প্রথা প্রণয়ন করতে হবে, ট্যাংক লরির ভাড়া বৃদ্ধি করতে হবে, পেট্রোল পাম্পের জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের লাইসেন্স গ্রহণ বাতিল করতে হবে, পেট্রোল পাম্পের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স গ্রহণ বাতিল করতে হবে, পেট্রল পাম্পে অতিরিক্ত পাবলিক টয়লেট, জেনারেল স্টোর ও ক্লিনার নিয়োগের বিধান বাতিল করতে হবে, সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃক পেট্রোল পাম্পের প্রবেশ দ্বারের ভূমির জন্য ইজারা গ্রহণের প্রথা বাতিল করতে হবে, ট্রেড লাইসেন্স ও বিস্ফোরক লাইসেন্স ব্যতীত অন্য দপ্তর বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক লাইসেন্স গ্রহণের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে, বিএসটিআই কর্তৃক আন্ডার গ্রাউন্ড ট্যাংক ৫ বছর অন্তর বাধ্যতামূলক ক্যালিব্রেশনের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে, ট্যাংক লরি চলাচলে পুলিশি হয়রানী বন্ধ করতে হবে, সুনির্দিষ্ট দপ্তর ব্যতীত সরকারি অন্যান্য দাপ্তরিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ডিলার\এজেন্টদেরকে অযথা হয়রানি বন্ধ করতে হবে।

এছাড়া, নতুন কোনো পেট্রোল পাম্প নির্মাণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় জ্বালানি তেল মালিক সমিতির বিধান চালু করতে হবে, পেট্রোল পাম্পের পাশে যেকোনো স্থাপনা নির্মাণের পূর্বে জেলা প্রশাসকের অনাপত্তি সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং বিভিন্ন জেলায় ট্যাংক লরি থেকে জোরপূর্বক চাঁদা গ্রহণ বন্ধ করতে হবে।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.