ফ্রন্ট লাইনে কর্মরত যোদ্ধারা যখন জীবন বাজি রেখে কাজ করছে, তখন কিছু হাসপাতাল, ক্লিনিক যেকোনো সাধারণ সেবায় গেলেও বাধ্যতামূলক করোনা টেস্ট করাচ্ছে কিংবা করোনার রিপোর্ট ছাড়া চিকিৎসা দিচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে ঢালাওভাবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত সাধারণ রোগীদের ওপর চাপানো কতটা যৌক্তিক?
তাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রেখে কাদের বলেন, কিছু হাসপাতালে রোগী ভর্তি না করার নানান ছল চাতুরির আশ্রয় নিচ্ছে, এ মূহুর্তে এটি মোটেও সমীচীন নয়।
এ সংকটকালে সরকার ও আওয়ামী লীগ কোন রাজনীতি করছে না। করোনার সংক্রমণ রোধ ও মানুষকে বাঁচানোই হচ্ছে এখন একমাত্র রাজনীতি।’
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে এ মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, বক্তৃতা বিবৃতির মাধম্যে সরকারের সমালোচনা করা ছাড়া বিএনপির এখন আর কোনো রাজনীতি নেই। অসহায় মানুষ থেকে তাদের অবস্থান এখন যোজন যোজন দূরে।
রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে যারা সমন্বয়ের কথা বলেন তাদের উদ্দেশ্য ওবায়দুল কাদের পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘পৃথিবীর কোথাও কি এমন নজির আছে? প্রতিরোধে চিকিৎসা সেবা প্রদান রাজনীতিবীদের কাজ নয়, যাদের দরকার, সেসব বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি করা হয়েছে। তাদের মতামত নিয়েই সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে ৬৮টি জেলায় করোনা টেস্ট করা হচ্ছে, সরকার পর্যায়ক্রমে প্রতিটি জেলায় টেস্ট সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।’