এম আরমান খান জয়, গোপালগঞ্জ : উন্নয়ন কর্মকান্ডে লোকজনের খুশি হওয়ার কথা। কিন্তু কিছু উন্নয়ন প্রকল্প এত ধীর গতিতে হচ্ছে যে তাতে জনভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। আর এতে মানুষজন বিরক্ত। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে উন্নয়ন কাজ শেষ করতেই যদি মাসের পর মাস পার হয়ে যায় তাহলে লোকজন এর সুফল পাবে কখন ?
চলতি বছর গোপালগঞ্জ পৌর এলাকায় ড্রেনেজ উন্নয়ন কাজ চলছে। পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ নির্মাণের কারণে শহরের সড়কগুলোতে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। যে কারণে সড়কের খোঁড়া মাটি পানির সঙ্গে মিশে দুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে। সড়কগুলো কেটে ফেলায় ভোগান্তির মাত্রা কয়েকগুণ বেড়েছে। একটু বৃষ্টি হলেই শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের অলি-গলিতে পানি জমে জলাবদ্ধতা ও কাদামাটির সৃষ্টি হচ্ছে। এসব সড়ক দিয়ে পথচারীদের চলাচলে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পৌরসভার বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পানি জমায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পৌরবাসীর। প্রধান সড়কগুলোতেও অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতা থাকায় মানুষ ও যানচলাচলে জটিলতা সৃষ্টি হয়।
শুধু তাই নয় স্কুলের রোডে জলাবদ্ধতা থাকায় স্কুলগামী ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের চলাচলে দুর্ভোগ চলছে। অনেক সময় কাদা-পানিতে লুটোপুটি খেতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। উন্নয়ন কর্মকান্ড চললে তাতে সাময়িক ভোগান্তি হবে এটাই স্বাভাবিক। মানুষজন এটা মেনে ও নেয়। কিন্তু এটা যখন মাসের পর মাস ধরে চলে তখনই তা সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যায়।
এমনিতেই জনজটে চলাচলের-অযোগ্য তালিকায় উঠে আসছে শহরের চৈারঙ্গির নাম। তার পর মাসের পর মাস ধরে উন্নয়ন কাজের নামে খোঁড়াখুঁড়ি চলতে থাকায় পরিস্থিতিকে তা আরও নাজুক করে তুলছে। রোদ থাকলে ধুলা আর একটু বৃষ্টি হলেই কাদা। দেখা দেয় জলাবদ্ধতা ও। যানজট, ধুলো দূষণে শহর বাসী এমনিতেই অতিষ্ঠ। এখন উন্নয়ন কর্মকান্ডের কারণে তাদের ভোগান্তি যেন চরমে না পৌঁছে সেটি নিশ্চিত করতে হবে যে কোনো মৃল্যে। গোপালগঞ্জ পৌরসভা সহ সংশিলিষ্ট সবাইকে জনভোগান্তির বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আমলে নিয়ে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।