খোকসা প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার আমবাড়িয়া ইউনিয়নের ধোকড়াকোল কুঠিপাড়া গ্রামে নানা বাড়ির ৪ শতক জমি বন্টন নিয়ে দু-গ্রুপের মধ্যে ২৪ বছর ধরে মামলা কোটে চলমান, কোট নোটিশ বিহীন বাড়িঘর উচ্ছেদের অভিযোগ।
প্রত্যক্ষদর্শী মো.আতাহার আলী প্রামাণিক বলেন সত্তর বছরের বসত ভিটা ঘর বাড়ি ও জমি অবৈধ পন্থায় দখলের পায়তারা করছে দারোগালী। গত মঙ্গলবার ২৬ নভেম্বর বিকালের দিকে খোকসা উপজেলা প্রশাসনের আভিযানিক টিম এ উচ্ছেদ অভিযানে গিয়ে বসতবাড়ী ভাঙচুর ও জমি দখলের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তিনি জানান।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, লন্ডভন্ড অবস্থায় বাড়ীর গোয়াল ঘর, রান্নাঘর ভেঙ্গে চুরমার করেছে। বাড়ির সীমানা ও বসতঘরের মধ্যেখানে আদালত থেকে লাল পতাকা উড্ডয়ন করে রেখেছে। এবং বসতভিটা ভাঙ্গার নির্দেশ দিয়ে আসেছে। প্রত্যক্ষদর্শী মো. চান্নু হোসেন বলেন আমরা বর্তমানে স্ত্রী সন্তান নিয়ে চরম আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি, প্রায় সত্তর বছরের বসত ভিটা অতর্কিত ভাবে ভেঙে দেওয়া সমীচিন নয়। আমরা এর তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক বিচার চাই।
ঐ বাড়ীর মালিক আতাহার প্রামানিক (৫৫) বলেন, এই জমির চুড়ান্ত রায় এখনও হয়নি ঢাকা উচ্চ আদালতে এ মামলা চলমান। তাহলে কিভাবে আমার ঘরবাড়ি ভাংচুর ও জমি দখল করে। এ বিষয়ে সাজাহান পরামানিক (৫০) বলেন, আদালত থেকে উচ্ছেদের নোটিশ না জানিয়ে অতর্কিত ভাবে বাড়ী ঘর ভাংচুর ও জমি দখল করে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করছে। প্রশাসন কোর্টের নোটিশ অর্থ লোভে গোপন রেখে আমাদের এই সর্বনাশ করেছে ।এছাড়াও যেহেতু আমাদের কোর্টে মামলা চলমান রয়েছে। তাহলে কিভাবে কোট থেকে এই আদেশ প্রদান করে।
এ ব্যাপারে মোঃ দারোগালী (৬৫) এর কাছে জানতে চাইলে জমি দখলের সদুত্তর দিতে পারেনি। এমনকি জমির কোন কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি । সম্পূর্ণ কোর্টের দোহাই দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়িয়ে যান। এ ঘটনায় খোকসা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রেশমা খাতুনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।