মিলন খান, খোকসা।।কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার জয়ন্তীহাজরা ইউনিয়নের মহিষবাতান ৩ নং ওয়ার্ড মৌজায় ফসলি মাঠে শুধুমাত্র মৌসুমী ফসল আবাদ করা হয় এমনটাই দাবি এবং সেচ পাম্পের মাধ্যমে পানি সরবরাহ বন্ধের দাবিতে গণ স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ করেন মহিষবাতান গ্রামের শতাধিক কৃষক উপজেলা প্রশাসন বরাবর।সরোজমিনে ঘটনাস্থল থেকে কৃষকরা জানান গত কয়েক দিন আগে এ জমিতে আখ চাষ করেছিল এখন ক্ষেত পরিষ্কার করে ধানক্ষেত আবাদ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে একই গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে মোঃ মীর মোরশেদ। উনার হঠাৎ এরকম ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আশপাশের মৌসুমী ফসলি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় শতাধিক কৃষক চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছে বলে দাবি করেন কৃষক সাইফুল ইসলাম।
তিনি বলেন মীর মোরশেদের জমিটি মাঠের মাঝামাঝি ও উঁচু জায়গায় হওয়ায় তিনি হঠাৎ যে সিদ্ধান্তটি নিয়েছে এটি চরম অন্যায় এবং অপরাধ যোগ্য। কোন কৃষককে না জানিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেয়ায় আশপাশের সকল ফসল নষ্ট হয়ে যাবে।
তাছাড়া যদি মীর মোরশেদ ওখানে পাকা ড্রেন ব্যবস্থা না করে শুধু মাটির আইলদিয়ে ধান চাষ করতে যায়, তার ধানক্ষেতের সব পানি আশপাশের সকল মৌসুমী ফসলি জমি নষ্ট হয়ে যাবে। তিনি বলেন আমরা সকল কৃষকেরা মিলে তাকে নিষেধ করলে মীর মোরশেদ ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে কৃষকদের উপর এরকম জুলুম করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আমরা সু বিচারের দাবীত এলাকার ৮৫ জন কৃষকেরা মিলে গন স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ প্রশাসনের কাছে দিয়েছি সঠিক বিচারের কামনায়।
এ বিষয়ে মীর মোরশেদের মুঠোফোনে কথা হলে তিনি সকল আনীত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বলেন দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিষয় এটি। আমার জমির আশপাশের কোনো কৃষকের ফসলি জমি নষ্ট বা ক্ষতি হয়ে যায় তবে আমি তাদের ক্ষতিপূরণ করে দিবো। এ বিষয়ে খোকসা থানায় অভিযোগ করেছি এবং প্রশাসনের নিকট সকলকে নিয়ে বসাবসির একটি কথা আছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন এর মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন উভয় পক্ষকেই ডেখেছি বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে সঠিক সিদ্ধান্তটাই প্রশাসন গ্রহণ করবো।