চসিক নির্বাচনে নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়ন নিয়েও ক্ষোভ ঝাড়লেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির।
আজ সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে যুবলীগের চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র নাছির বলেন, আমার কাছে প্রশ্ন করেছেন অনেকে। আমাদের প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীর কাছেও প্রশ্ন করেছেন যে- এই প্রার্থীগুলো কিভাবে মনোনয়ন পেল? আসলে তো আমরা কোনও কিছু জানি না। এই কাউন্সিলর প্রার্থীকে কারা মনোনয়ন দিয়েছেন, এটা কি আমরা জানি? আমাদের জানামতে চট্টগ্রামের কেউ এই মনোনয়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত নন।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (সিসিসি) নির্বাচনে ৪১টি সাধারণ ও সংরক্ষিত ১৪টি সংরক্ষিত আসনসহ মোট ৫৪টি কাউন্সিলর পদে এবারই প্রথম দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে না পাওয়ার পর কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে নগরীর রাজনীতিতে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারীরা বেশিরভাগই বাদ পড়েছেন।
দল মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থীদের ‘বিতর্কিত’ উল্লেখ করে মেয়র নাছির বলেন, এই জনপ্রতিনিধিগুলো মানুষের কী কোনও কল্যাণ করতে পারবে? তারা তো জনপ্রতিনিধি হতে যাচ্ছেন, বিগত দিনে তাদের কী কর্মকাণ্ড ছিল? এখনও তারা তো বিতর্কিত। তাহলে তারা কিভাবে মনোনয়ন পেলেন? আমি এই কথাগুলো বলতে চাই না। আমি যদি কথা বলি, এই কথার সূত্র ধরে অন্য কথা হয়ত অনেকে বলার চেষ্টা করবেন।
নাছির বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মনোনয়ন বোর্ড যে মনোনয়ন প্রদান করেছেন সেটাই আমার শিরোধার্য। এবং সেটা নিয়ে কাজ করছি, কাজ করব। কাজ করে প্রমাণ করে দেব আমি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শতভাগ অনুগত এবং জাতির জনকের আদর্শ অন্তরে ধারণ করি।
নিজের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, আমি হঠাৎ চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হই নাই। ১৯৬৯ সালে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র থাকাকালে আন্দোলনে শরিক হয়েছি। চট্টগ্রাম মাটি থেকে বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্নেল ফারুক-রশিদকে উৎখাত করেছি, ফ্রিডম পার্টি, জামায়াত-শিবিরকে উৎখাত করেছি। আমি আ জ ম নাছির উদ্দীনের নেতৃত্বে সেগুলো হয়েছে।