Thursday, October 29

জরুরি অবস্থা সত্ত্বেও শ্রীলঙ্কায় মুসলিম বিরোধী সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে

0

শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা সত্ত্বেও মুসলিম বিরোধী সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। দেশটির মধ্যাঞ্চলে একটি দোকান ও একটি মসজিদে হামলা চালানো হয়েছে।

পাহাড়ি শহর ক্যান্ডির নিকটবর্তী গ্রাম মাদাওয়ালার এক বাসিন্দা বলেন, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় একটি দোকানে অগ্নিসংযোগ করতে দেখেছেন তিনি।

দ্বীপরাষ্ট্রটির প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা জরুরি অবস্থা ঘোষণা ও সান্ধ্য আইন জারি করার এক ঘণ্টা পর এই হামলার ঘটনা গটে।

মোহামেদ মানাজির নামের এক বাসিন্দা বলেন, আমি শুনলাম, একটি ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। তখন ঘর থেকে বেরিয়ে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড দেখতে পাই।

এক মুসলিম ব্যক্তির মালিকানাধীন দোকানটিতে খুচরা যন্ত্রাংশ বিক্রি করা হতো। পরবর্তীতে দমকল বাহিনী এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

মানাজির বলেন, এর বাইরে কোনো বড় ঘটনা চোখে পড়েনি। পুলিশ ও সেনাবাহিনী পুরো অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে।

স্থানীয় অনলাইন পত্রিকা গ্রাউন্ড ভিউ জানায়, উচ্ছৃঙ্খল জনতা ওয়াট্টাগামা গ্রামের একটি মসজিদে হামলা চালিয়েছে। গ্রামটি ক্যান্ডি শহর থেকে উত্তর পূর্বে অবস্থিত।

কলোম্বোভিত্তিক একটি ওয়েবসাইট মসজিদের জানালার ভাঙা কাচ ও চেয়ারের ছবি প্রকাশ করেছে। একটি অডিও ক্লিপে শোনা যায়, হামলার সময় এক ব্যক্তি মসজিদের ভেতরে আটকা পড়েছিলেন।

পুলিশ এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে এই ঘটনায় কয়েক ডজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভস্মীভূত হওয়া একটি ভবনে এক মুসলিম ব্যক্তির মরদেহ খুঁজে পাওয়ার পর মঙ্গলবার ১০ দিনের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা।

গত রোববার ক্যান্ডি অশান্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ বলেছে, সিংহলি এক ট্রাকচালকের শেষকৃত্যের পরই মুসলমানদের ব্যবসা, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়। তবে ওই ট্রাকচালকের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.