Wednesday, November 4

ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

0

ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক ছাত্রীকে (২০) ধর্ষণের অভিযোগ মুহাম্মদ মাহমুদ আলী (২৫) নামে এক বিরুদ্ধ। বর্তমানে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয় এবং বাচ্চাটিকে নষ্ট করে। ছাত্রীর মা বাবা এ বিষয়ে থানায় মামলা করতে গেলে ফরিদপুর বোয়ালমারী থানার ওসি মামলাটি গ্রহণ করেন নি। তিনি মামলা নিতে সরাসরি অস্বিকার করেন। মুহাম্মদ মাহমুদ আলী (২৫) ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজে অনার্স ৩য় বর্ষে একাউন্টিং অধ্যায়নরত। বোয়ালমারী থানার আখালীপাড়ার প্রভাবশালী ব্যক্তির ছেলে হওয়ায় তার এসব বিষয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজী নন। সেনাবাহিনীর অবসর প্রাপ্ত আইয়ূব আলীর ছেলে।

মাহমুদ আলী এর আগেও একাধিক কলেজ ছাত্রীর সাথে একই কাজ করে। এর মধ্যে সোনিয়া নামের এক মেয়ে আত্মহত্যা করে তার একই কর্মকান্ডের কারণে। সোনিয়ার বাবা বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় গেলেও উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে কোন বিচার পাননি।

বর্তমান ছাত্রীর বাড়ি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায়। সে অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী। মেয়েটি ও তার পরিবার সাংবাদিক দের বলেন, মাহমুদ আলী নামের ঐ যুবক মেয়েটিকে কলেজে আসা-যাওয়ার পথে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতেন। একপর্যায়ে নিজেকে বিভিন্ন ধরণের অসহায় ও নানা ধরণের কথা বলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ছাত্রীটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এছাড়াও সে ফরিদপুরে নিজের অপকর্ম চালানোর জন্য বাসা ভাড়া করে থাকে। কিছুদিন পূর্বে মেয়েটি জানতে পারে সে অন্তঃসত্তা। ঐদিন ছাত্রী মাহমুদকে বিষয়টি জানায় এবং বিয়ের জন্য মাহমুদ আলীকে তাগিদ দেন।

মুঠোফোনে ছাত্রীটিকে তার ফরিদপুরের বাড়িতে নিয়ে নির্যাতন করে রক্তাক্ত ও জখম করেন। ঐ দিন সে মেয়েটিকে সরাসরি বাচ্চা নষ্ট করার কথা বলে। কিন্তু মেয়েটি রাজী না হলে সে তাকে ঔষধ কিনে জোর পূর্বক ঔষধ খাওয়ায় এবং বাচ্চাটি নষ্ট করে! এটাও বলে যদি বাচ্চাটি নষ্ট করা নাহয় তাহলে মেয়েটিকে সে বাঁচতে দিবেনা।

গত ২১ তারিখ মেয়েটিকে আল্ট্রা করিয়ে সিউর হয় বাচ্চা টি নষ্ট হয়ছে এবং মেয়েটিকে বলে কেউ তার কিছুই করতে পারবে না । কারণ সমস্ত প্রশাসন তার কেনা। তারপর মেয়েটি এবং তার মা শালিস ডাকলে তারা আড়াই লাখ টাকা দিয়ে বিষয়টি দামাচাপা দিতে চায়। মেয়েটি টাকা নিতে অস্বীকার করে, তারপর থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে সরাসরি অস্বিকার করে।

কলেজ ছাত্রী ও তার পরিবার ছেলেটির বোয়ালমারী এর বাসায় যায় এবং সেখানে কমিশনার এসে আইয়ুব আলী এবং তার ছেলে মাহমুদ আলীকে বাসায় থাকতে বলেন। সে রাতে মাহমুদ গার্ডদের ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তার বাবা-মা পালাতে গেলে স্থানীয় লোকজন তাদের ধরে ফেলেন। পরদিন সকালে তারা কৌশলে মেয়েটিকে ও তার পরিবার সরিয়ে ফেলে এবং মাহমুদ এর বাবা মা ও পালিয়ে যায়।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.