ফিলিস্তিনিদের সাহায্যের জন্য অর্ধেক অর্থ সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসংঘের রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্ক এজেন্সিকে (ইউএনআরডব্লিউএ) ৬০ মিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে। আর ৬৫ মিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তা বন্ধ রাখা হবে। মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, দুই সপ্তাহ আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিনিদের জন্য বরাদ্দ দেয়ার ব্যাপারে প্রশ্ন তোলেন। এর পরেই ফিলিস্তিনিদের অর্থ সহায়তা কমিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিল ট্রাম্পের প্রশাসন।
ত্রাণের অভাবে, দারিদ্র্য এবং সংঘাতের সঙ্গে যুদ্ধ করে টিকে থাকা এসব মানুষ এভাবে নিঃশেষ হবে, তা নিয়ে শঙ্কিত সংস্থাটির কর্তাব্যক্তিরাও। রাজনীতিকে পায়ে ঠেলে মানবিকতার হাত বাড়ানোর কথা বলছেন তাঁরা।
এর আগে জাতিসংঘের ত্রাণ ও সাহায্য সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ গাজার পরিচালক ম্যাথিয়াস স্মেইল বলেন, ‘সংস্থার সদস্য হিসেবে আমি অবেদন জানাব, সবার উচিত মানবিক কারণে হলেও সহায়তা অব্যাহত রাখা। কোনো রাজনৈতিক কারণে যাতে সহায়তা বন্ধ না হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন না করার সিদ্ধান্তে আমরাও চিন্তিত।’
ফিলিস্তিনি শরণার্থী সাঈদ দারউইশ বলেন, ‘সংস্থাটি যদি ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সহায়তা বন্ধ করে দেয়, তাহলে আমিসহ আমার মতো এখানে যাঁরা আছেন, তাঁরা পরিবার নিয়ে না খেয়ে মারা যাবেন।’
প্রতিবছর সাড়ে তিনশ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। যা ইউএনআরডব্লিউএর মোট বাজেটের এক-তৃতীয়াংশ। কিন্তু ইসরায়েলের উসকানিতে ফিলিস্তিনে সহায়তা কমানোর পরিকল্পনা নেয় ট্রাম্প প্রাশাসন।