বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও স্থান পেয়েছেন মার্কিন অর্থ ও বাণিজ্যবিষয়ক সাময়িকী ফোর্বসের বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায়।বিশ্বজুড়ে রাজনীতি, মানবসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য, গণমাধ্যম, অর্থনীতি ও প্রযুক্তিখাতে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করে আসা প্রভাবশালী নারীদের মধ্য থেকে ১০০ জনকে বেছে নিয়ে এই তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস। ফোর্বসের ওই তালিকায় তিনি এবার আছেন ৪৬তম স্থানে। যদিও ২০২২ সালে শেখ হাসিনার অবস্থান ছিল ৪২ নম্বরে।
এই বছরের ফোর্বসের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নারীদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন রাজনীতিবিদ ও আইন প্রণেতারা। চলতি বছরের তালিকায় ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন ১ নম্বরে রয়েছেন। তারপরে আছেন ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ড, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস রয়েছেন তৃতীয় স্থানে।
এদিকে বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রয়েছেন ৪৬তম স্থানে। গত বছর এই তালিকায় শেখ হাসিনার অবস্থান ছিল ৪২তম-তে। এর আগে ২০২১ সালে বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় ৪৩তম স্থানে ছিলেন শেখ হাসিনা। আর ২০২০ সালে তালিকার ৩৯তম স্থানে ছিলেন তিনি।
শেখ হাসিনা সম্পর্কে ফোর্বস লিখেছে, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী থাকা শেখ হাসিনা ওয়াজেদ বর্তমানে তার চতুর্থ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা নারী সরকার প্রধান।
টানা তৃতীয় মেয়াদে বাংলাদেশে ক্ষমতায় রয়েছেন শেখ হাসিনা।
সাময়িকীটি বলছে, অবশ্য বিরোধী দল থেকে পদত্যাগের জন্য ক্রমবর্ধমান আহ্বান সত্ত্বেও ৫ম মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য ২০২৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছেন শেখ হাসিনা। তার বিরুদ্ধে কর্তৃত্ববাদ এবং বাকস্বাধীনতার বিরুদ্ধে দমনপীড়নের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এছাড়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ভোটারদের দমনেরও অভিযোগ রয়েছে। অবশ্য তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এর আগে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও নির্বাচনকে ব্যাহত করার জন্য দায়ী যেকোনও বাংলাদেশি ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞার কথা ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র।