শাকিব খানের পাঠানো তালাকনামার ওপর দ্বিতীয় শুনানিতে আজ সোমবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে হাজির হননি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস।
বিষয়টি নিয়ে ঢাকা সিটি করপোরেশনের (অঞ্চল-৩) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘সকাল ১০টায় তাঁদের আসার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাঁরা কেউ আসেননি। প্রথম শুনানিতে অপু বিশ্বাস এসেছিলেন, কিন্তু একজন এলে তো কোনো লাভ নেই। দুজন একসঙ্গে এলে আমরা সমঝোতার জন্য চেষ্টা করতাম।’
আগামী তারিখে বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে জানিয়ে হেমায়েত হোসেন বলেন, ‘আগামী মাসের ১০-১২ তারিখে আমাদের তৃতীয় ও শেষ শুনানি। যদি তাঁরা কেউ না আসেন, তা হলে মামলাটি খারিজ হয়ে যাবে। তখন আইনগতভাবে শেষ হবে বিষয়টি।’
বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমি আর এ বিষয়ে কথা বলতে চাই না। গত তারিখে আমি আমার কথা বলে এসেছি। এককথা বারবার বলার কিছু নেই। আমার জীবনের একমাত্র পাওয়া আব্রাম, তাকে নিয়ে আমি নতুন জীবন শুরু করতে চাই।’
শাকিব খান বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় ‘সুপার হিরো’ ছবির শুটিং করছেন। সঙ্গে আছেন নায়িকা শবনম বুবলী। আগামী ১৪ তারিখ তাঁদের ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
এর আগে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে অপু বিশ্বাসকে তালাকের নোটিশ পাঠান শাকিব খান। তালাকের একটি কপি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে পঠানো হয়। তারই সূত্র ধরে আজ শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়। গত ২৪ ডিসেম্বর একটি চিঠির মাধ্যমে আজ সিটি করপোরেশনে হাজির হতে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসকে বলা হয়। সেই হিসেবে গত ১৫ জানুয়ারি দুজনকে তলব করা হলে অপু বিশ্বাস গিয়ে কথা বলেন। শাকিব খান তখন থাইল্যান্ডে একটি ছবির গানের শুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন।
গত বছর এপ্রিলে ঢাকাই ছবির নতুন নায়িকা শবনম বুবলীর সঙ্গে শাকিব ঘরোয়া পরিবেশে একটি ছবি তোলেন। ছবিটিতে ‘ফ্যামিলি টাইম’ ক্যাপশন লিখে নিজের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করেন বুবলী। এর পরই অপু বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে শাকিব খানের। ছবিটি প্রকাশের পর গণমাধ্যমে দীর্ঘদিন গোপনে থাকা বিয়ে ও সন্তানের বিষয়টি খোলাসা করেন অপু।