গাজায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৭ দিন বাড়লো

0

গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও সাতদিন বৃদ্ধি পেয়েছে। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন ও ইসরাইল কর্তৃপক্ষ- উভয়ই এই ঘোষণা দিয়েছে।

গাজায় শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। ছবি:
বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) কাতারভিত্তিক সংবামাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা যায়।

অবশেষে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে ইসরাইল। হামাস ও ইসরাইল যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণ করার কথা ঘোষণা করে ইসরাইল। এবার এক দিনের জন্য এই যুদ্ধবিরতি বাড়ছে। উল্লেখ্য, প্রথমে চার দিনের যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। পরে দুদিন তা বাড়ে। এবার এক দিন বাড়ল।হামাস সপ্তম দিনে অর্থাৎ আজকে আরো সাত নারী ও শিশু এবং তিন ইসরাইলির লাশ ফেরত দিতে চেয়েছিল। হামাস দাবি করছে, ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় এসব ইসরাইলি বন্দী নিহত হয়েছে। তবে ইসরাইল অন্য কিছু বন্দীর মুক্তির দাবির ওপর জোর দিচ্ছিল।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার একেবারে শেষ মুহূর্তে (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা) এতে সম্মত হওয়ার কথা জানায়। হামাস জানায়, তারা তাদের যোদ্ধাদের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেছে। এমন প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র, কাতারসহ আন্তর্জাতিক মধ্যস্ততাকারীরা যুদ্ধবিরতির জন্য ব্যাপক তৎপরতা চালাতে থাকে।

ইসরাইলি যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে এক ঘোষণায় বলে, ‘পণবন্দীদের মুক্তির ব্যাপারে মধ্যস্ততাকারীদের প্রয়াসের আলোকে এবং চুক্তির শর্তাবলী পালনসাক্ষেপে’ যুদ্ধবিরতি অব্যাহত থাকবে।

হামাস পৃথক বিবৃতিতে বলে, সপ্তম দিনে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের ব্যাপারে একমত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি এবার সম্প্রসারিত হবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল।

 

গত ছয় দিনে হামাস ৭০ ইসরাইলিকে মুক্তি দিয়েছে। তারা প্রধানত নারী ও শিশু। এছাড়া তিনজন দ্বৈত ইসরাইলি নাগরিক, ২৪ জন বিদেশী নাগরিককে হামাস চুক্তির বাইরে শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে মুক্তি দেয়। আর ইসরাইল ২১০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেয়। তারা প্রধানত নারী ও শিশু।

সূত্র : আল জাজিরা, টাইমস অব ইসরাইল, সিএনএন এবং অন্যান্য

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.