(বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত)
এ শহরে দিনরাত্রির আলো ফোটার আগে প্রদোষের আলো জ্বলে
আজানের ধ্বনি বাজে নিত্য, শ্যামল বাংলার সবুজ প্রান্তর জুড়ে প্রতিধ্বনি বাজে প্রতিদিন,
আকাংখিত সুবাতাস বয়ে সুসংবাদ আসে, জন্মাবধী যাকে জানি জনতার মহান প্রেমিক
তিনি অবিনাশী যৌবনের পতাকা উড়িয়ে নেমে আসলেন সাহসী ঠিকানায়,
স্বদেশর মাটির কোল জুড়ে আলোকিত ভোরে ।
স্বদেশের মাটির সব উল্লাস থেমে গেলো
যেনো কোন এক তীর্থযাত্রি এই মাত্র নেমে এলো বীরদর্পে,
কোন উপত্যকা পেরিয়ে স্বাধীন স্বদেশ ভূমিতে।
তমসের নেমে আসা সন্ধ্যায় অন্ধকার কেটে গেলো একটু একটু করে।
প্রকৃতির দিগন্ত বিস্তারী ইথারে বেজে উঠলো আগমন র্বাতা বির্স্তীণ স্বদেশ জুড়ে।
আমাদের উওরাধিকার রক্তের বীজ যেনো ফিরে পেলো স্বাধীন ভূমিতে নতুন সত্বায়
উড়ে গেলো সপ্তরাঙা প্রজাপতির দল।
তিনি সকল মগ্নতা ভেঙে ভালোবেসে বাংলার মাটি, ফুল, ফল,
নদীর শ্যামলিমার ঘ্রান অনুভব করলেন,
দু’হাত তুলে গেয়ে উঠলেন নতুন স্বপ্নে মুক্তকন্ঠে জীবনের গান।
আবার যেনো স্বদেশের মনচিত্র,বাংলার ধূ ধূ প্রান্তর জুড়ে
নক্ষত্র খচিত আকাশে ভেসে বেড়ালো তার সাহসী কন্ঠস্বর।
কর্ণফুলী’র স্রোতের মতো মিলিয়ে গেলো মানুষের চেতনার নীলিমায়,
আর আমরা পেরিয়ে গেলাম সকল আঁধার,
সমগ্র সত্বা জুড়ে জেগে উঠলো নতুন চেতনায়, সাহসী অহংকারে বাংলার প্রতিটি মানুষ।