ইরানে যে কোন মুহুর্তে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাস্ট্র

0

ইরানে ব্যাপক হামলা চালানো হতে পারে বলে বারবার হুমকি দিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরায়েলও চায় ট্রাম্পের মাধ্যমে ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন হোক। অন্যদিকে ইরান সরকারও জানিয়েছে, তারা দেশকে রক্ষার জন্য প্রস্তুত। ইরানে যেকোনো ধরনের হামলা পুরোপুরি যুদ্ধের শামিল হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে তেহরান।

এমন  চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ড্রপ সাইট নিউজ। একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, মার্কিন সেনাবাহিনীর সিনিয়র কর্মকর্তারা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রধান মিত্র দেশগুলোর নেতৃত্বকে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি সপ্তাহান্তেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক একটি হামলার অনুমোদন দিতে পারেন।

মিত্রদের মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকেই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র হামলা শুরু করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এক শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, এটি ইরানে পারমাণবিক বা ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে নয়। এটি মূলত সরকার পরিবর্তনের বিষয়।এই কর্মকর্তা বর্তমানে আরব সরকারগুলোর পরামর্শক এবং মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের একজন অনানুষ্ঠানিক উপদেষ্টা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই কর্মকর্তা নিশ্চিত করে বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা করছেন। সেইসঙ্গে ইরানি সরকারের ‘শিরশ্ছেদ’ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ করে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নেতৃত্ব ও সক্ষমতা ধ্বংস করা।

সূত্রের বরাতে খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের বিশ্বাস—ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বে সফল হামলা হলে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ শুরু করবে। এতে শেষ পর্যন্ত সরকার উৎখাত হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেছেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানে হামলার আশা ব্যক্ত করছেন। তিনি ট্রাম্পকে নিশ্চিত করেছেন যে ইরানে নতুন সরকার আনতে তারা সহযোগিতা করতে পারবে এবং এই নতুন সরকার পশ্চিমাদের বন্ধু হবে।

ড্রপ সাইট নিউজ দুইজন সিনিয়র আরব গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, তারা খবর পেয়েছেন যে ইরানে মার্কিন হামলা ‘যেকোনো মুহূর্তে’ শুরু হতে পারে।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.