করোনায় বিশ্বব‌্যাপী মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬০৭৫৫, আক্রান্ত ২৩ লাখ ৩১ হাজার

0

করোনার থাবা যেন কমছেইনা। শনিবার সকাল থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত করোনায় নতুন করে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৭ হাজার মানুষের। এতেকরে বিশ্বব্যাপী নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬০ হাজার ৭৫৫ জনে।  একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৮০ হাজার মানুষ। এতে  আক্রান্তের সংখ্যা ২৩ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৭ জন। অপরদিকে ৫ লাখ ৯৬ হাজার ৫৩৭ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

রবিবার সকাল করোনা ভাইরাস নিয়ে লাইভ আপডেট দেয়া ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার এ তথ্য জানিয়েছে ।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে এই মহামারি শুরু হলেও এখন ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে আরও ভয়াবহ আকার নিয়েছে। আক্রান্ত ও নিহতের সংখ্যায় সবাইকে ছাড়িয়ে গিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭ লাখ ৩৮ হাজার ৮৩০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৯ হাজার ১৪ জনের।

আক্রান্তের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে স্পেন। সেখানে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯৪ হাজার ৪১৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২০ হাজার ৬৩৯ জনের।

মৃত্যুর দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইতালি। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯২৫ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৩ হাজার ২২৭ জনের।

চীনের উহান থেকে বিস্তার শুরু করে গত তিন মাসে বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। চীনে করোনার প্রভাব কমলেও বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে মহামারি রূপ নিয়েছে।

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নেয়া হয়েছে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ। অধিকাংশ দেশেই মানুষের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করতে মানুষের চলাফেরার ওপর বিভিন্ন মাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। কোনো কোনো দেশে আরোপ করা হয়েছে সম্পূর্ণ লকডাউন, কোথাও কোথাও আংশিকভাবে চলছে মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রম। এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকার প্রায় অর্ধেক মানুষ চলাফেরার ক্ষেত্রে কোনো না কোনো মাত্রায় নিষেধাজ্ঞার ওপর পড়েছেন।

স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর ব্যাপক চাপ পড়ার কারণে কিছুদিনের মধ্যেই অনেক দেশেই স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা সরঞ্জাম ও চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণের ঘাটতি দেখা যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। নিউমোনিয়ার মত লক্ষণ নিয়ে নতুন এ রোগ ছড়াতে দেখে চীনা কর্তৃপক্ষ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে সতর্ক করে। এরপর ১১ জানুয়ারি প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.