নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম মহানগরের আকবরশাহ থানাধীন লেকসিটি আবাসিক এলাকা, মাইট্টা গলি, আছিয়া খাতুন রোড (চিড়িয়াখানার পশ্চিম পার্শ্বে), ফয়েজলেক, এলাকায় অভিযান এবং জঙ্গল লতিফপুর, জাফরাবাদ, সীতাকুন্ড এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। পরিবেশ অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ের পরিচালক জনাব হিল্লোল বিশ্বাসের নির্দেশনায় নগরীর আকবরশাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজাস্থ বি.এস ১৭৮, ১৭৯ ও ১৮০ দাগে লেকসিটি আবাসিক এলাকায় এবং বি.এস ১১৭ দাগে মাইট্টা গলি, আছিয়া খাতুন রোড (চিড়িয়াখানার পশ্চিম পার্শ্বে), ফয়েজলেক এলাকায় অননুমোদিতভাবে পাহাড় মোচন এবং পাহাড় কর্তণ করে স্থাপনা নির্মানের দায়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব কাজী তামজীদ আহমেদ।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ের কর্মকর্তা সিনিয়র কেমিস্ট রুবাইয়াত তাহরীম সৌরভ, সহকারী পরিচালক হাছান আহমেদসহ একটি টীম, কাট্টলী ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর একটি টীম ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, খুলশীর একটি টীম। অভিযান পরিচালনাকালে লেকসিটি আবাসিক এলাকার ১৭৮, ১৭৯ ও ১৮০ দাগে এবং মাইট্টা গলি, আছিয়া খাতুন রোড (চিড়িয়াখানার পশ্চিম পার্শ্বে) এলাকায় ১১৭ দাগে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ধারা ৬ (খ) অনুযায়ী পাহাড়/টিলা কর্তন/মোচন দন্ডনীয় অপরাধ এই সম্বলিত সাইনবোর্ড ও ব্যানার লাগানো হয়। এছাড়া পাহাড় কর্তণ করে টিন দিয়ে ঘেরা দেওয়া দখলকৃত প্লট সমূহ হতে অস্থায়ী স্থাপনা ভেঙ্গে দিয়ে টিন এবং দরজা জব্দ করা হয় এবং মাইট্টা গলি, আছিয়া খাতুন রোড (চিড়িয়াখানার পশ্চিম পার্শ্বে), ফয়েসলেক এলাকায় পাহাড়ের উপর নির্মিত ০৩ টি ঘর হতে বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। পাহাড়/টিলা কর্তন/মোচন রোধে এ ধরণের কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। খ) পরিবেবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব কাজী তামজীদ আহমেদ এর নেতৃত্বে চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের একটি টীম জঙ্গল লতিফপুর মৌজায় জাফরাবাদ, সীতাকুন্ড এলাকায় পাহাড়/টিলা কর্তন/মোচন রোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে পাহাড় কর্তনের দায়ে জনাব মোঃ আমজাদ হোসেন (৫৫), পিতাঃ মৃত আলী মোহাম্মদ, সাং-বাড়ীঃ ৫ (এ/২), চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট, ডিওএইচএস, চট্টগ্রাম নামে এক ব্যক্তিকে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য ও আদায় করা হয়। উক্ত মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের রিসার্চ অফিসার জনাব মোঃ আশরাফ উদ্দিন।