সিলেট প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ রেলওয়েতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অনিয়ম, হয়রানি ও অবৈধ প্রশাসনিক কার্যক্রম চালানোর অভিযোগে দুজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে বিবাদী করে এক কর্মচারী আইনি নোটিশ প্রদান করেছে।
আইনি নোটিশ সুত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মচারী জুনায়েদ মিয়া। তিনি শায়েস্তাগঞ্জে একজন ভারপ্রাপ্ত কার্পেন্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ রেলওয়েতে যোগদানের পর থেকে তাকে বিভিন্ন সময় বেতন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ করে, ভুল বদলির আদেশের অজুহাতে ৩এপ্রিল,২০২৪ থেকে ২১ জানুয়ারী,২০২৫ পর্যন্ত দীর্ঘ ৯ মাস ২৩ দিন তার বেতন সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছিল। সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে বদলির আদেশ ও ছাড়পত্র ছাড়াই বেআইনিভাবে তার সার্ভিস বুক অন্য দপ্তরে পাঠানো হয়েছিল। একই পদে তাকে বহাল রেখে অন্য একজনকে পদায়ন করা হয়েছে এবং তার প্রাপ্য বেতন, ইনক্রিমেন্ট, সরকারি পোশাক ও অন্যান্য সরঞ্জাম থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সেই কর্মচারী জুনায়েদ জানান, আমি আমার প্রাপ্য ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধাগুলো স্যারদের কাছে চেয়েছি। দরখাস্ত করেছি। কিন্তু তারা এসব বিষয়ে কোন কর্নপাত করেননি। যারফলে বেতন বন্ধ থাকার কারণে সে গুরুতর আর্থিক সংকটে পড়েন। তিনি ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে বাধ্য হন, যার সুদের পরিমাণ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এই আর্থিক ও প্রশাসনিক হযরানির কারণে তার এবং তার পরিবারের সম্মান ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে ।
সুত্রে বিবাদীগণ হলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী -১(ঢাকা) মেহেদী হাসান আহমেদ তারেক, এস.এস.এই ওয়ে, (শ্রী মঙ্গল)মোঃ সাইফুল্লাহ ।
সেই কর্মচারী আরো দাবী করেন, তার সব বকেয়া বেতন (৯ মাস ২৩ দিনের বেতনসহ) এবং অন্যান্য প্রাপ্য ভাতা পরিশোধ না করা, হয়রানি ও সম্মানহাণী একজন অসহায় কর্মচারীর জন্য় অপূরনীয় ক্ষতি। অবিলম্বে কর্মকর্তাগণ হীন উদ্দেশ্য পরিত্যাগ করে তার প্রাপ্যভাতা ও ন্যায্য অধিকার প্রদান করে অপূরনীয় ক্ষতি পূরনে সচেষ্ট হবেন। না হয় আমি আমার প্রাপ্য বেতনভাতা পাওয়ার জন্য আদালতে বিচারের জন্য আইনি ব্যবস্থা নিবো।