মাশরাফি বিন মুর্তজার বলটা এউইন মরগান ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন লং অনে। বলটা দুর্দান্তভাবে লুফে নিলেন তামিম ইকবাল। এটা সত্যি ক্যাচ কি না সাদা চোখে অবশ্য বোঝা কঠিন ছিল। তামিম যদিও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দাবি করছিলেন, অবশ্যই ক্যাচ! কিন্তু আম্পায়ারের ‘সফট সিগনাল’—আউট নন মরগান। সেটা প্রভাবিত করল তৃতীয় আম্পায়ারকে। বেনিফিট অব ডাউট গেল ইংল্যান্ডের পক্ষে, মাঠের আম্পায়ারের ওই ছায়া সংকেতে।
আসলেই ওটা ক্যাচ ছিল কি না? সবচেয়ে ভালো বলতে পারবেন তামিম। তাঁর সূত্রেই মাশরাফি বলছেন, তামিমের মনে হয়েছে, ওটা ক্যাচই ছিল।
ম্যাচের পরই ধারাভাষ্যকার নাসের হোসেইনও প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করেছেন মাশরাফিকে। বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক সচেতনভাবেই বিষয়টা এড়িয়ে গেছেন। বলেছেন, রিপ্লে দেখেননি, তৃতীয় আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনেও উঠল প্রসঙ্গটা। তামিম ওই সময় কী বলেছিলেন মাশরাফিদের? অধিনায়ক বললেন, ‘তামিম পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী ছিল যে ওটা ক্যাচ! কিন্তু আম্পায়াররা হয়তো আরও ভালোভাবে দেখেছে। যে ফিল্ডার থাকে তার ভাবনাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সে এখনো আত্মবিশ্বাসী ওটা ক্যাচ। আরও ক্লোজভাবে দেখলে ভালো হতো। খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে কি না জানি না।’
এটা ঠিক, এমন সংশয়পূর্ণ সিদ্ধান্ত আরেকটু সময় নিয়ে দিতে পারতেন আম্পায়াররা। তামিমের হাতটা মাঠ স্পর্শ করেছে কি না সেটি জুম করে বারবার দেখা যেত। টিভি রিপ্লেতে যেটি দেখানোই হয়নি। এবারের টুর্নামেন্টে অনেক অনেক প্রযুক্তি যুক্ত হচ্ছে বলে আইসিসি শুরু থেকে ঢোল পেটাচ্ছে। তবে কোনো ভিডিও জুম করে দেখার প্রযুক্তি কেন থাকল না কালকের ম্যাচে, বা থাকলেও কেন ব্যবহার করা হলো না; এই প্রশ্নগুলো উঠছে।