শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় ফরহাদ মজহার হাসপাতালে

0

শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহারকে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাতে ফরহাদ মজহারের পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তাকে হাসপাতালে ভর্তির কথা জানানো হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ফরহাদ মজহার ভীষণ অসুস্থ। তাকে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি সুস্থ হওয়া পর্যন্ত নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকবেন। কারো সঙ্গে কথা বলতে ডাক্তাররা ফরহাদ মজহারকে মানা করেছেন।

ফরহাদ মজহারের ঘনিষ্ঠ পিনাকী ভট্টাচার্য পরিবারের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানিয়েছেন, তার পরিবারের পক্ষ থেকে আবারও দেশ, জাতি ও গণমাধ্যমের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে এবং তার সুস্থতার জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে। তিনি সুস্থ হলে পরবর্তীতে মিডিয়া কর্মীদের সাথে কথা বলবেন।

মঙ্গলবার বিকেলে আদালতের নির্দেশে বাসায় ফেরার অনুমতি পান ফরহাদ মজহার। সোমবার সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় অপহৃত হন তিনি। অপহরণের ১৮ ঘণ্টা পর যশোরের নওয়াপাড়া তাকে উদ্ধার করে র‌্যাব। উদ্ধারের পরদিন মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে তোলা হয়।

ফরহাদ মজহারকে সোমবার ভোর থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না জানিয়ে তার পরিবার আদাবর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। পরে সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে যশোরের নওয়াপাড়ায় খুলনা থেকে ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস থেকে তাকে উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। খুলনা থেকে মঙ্গলবার সকাল নয়টার দিকে ফরহাদ মজহারকে রাজধানীর আদাবর থানায় আনা হয়। সেখান থেকে রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ডিএমপির (মিডিয়া) যুগ্মকমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফরহাদ মজহার জানিয়েছেন- সোমবার সকালে ওষুধ কেনার জন্য তিনি বের হলে কয়েকজন অজ্ঞাত লোক চোখ বেঁধে নিয়ে যায়। এরপর তিনি আর কিছুই জানেন না। পরে ফরহাদ মজহারের ফোন থেকে তার পরিবারের কাছে ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ চান অপহরণকারীরা।

ফরহাদ মজহার স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে ভ্রমণের উদ্দেশে বের হয়েছিলেন- পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি দিদার আহমেদের এমন দাবির প্রসঙ্গে আব্দুল বাতেন বলেন, কে, কোথায়, কী বলেছেন সেটা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাচ্ছি না। আমরা আমাদের মতো করে এখন জিজ্ঞাসাবাদ করছি।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.