ইবাদতের মধ্য দিয়ে পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত

0

আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা এবং দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি কামনার মধ্য দিয়ে পালিত হলো মহিমান্বিত রজনী পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবে কদর।
শবে কদরে রাতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমসহ সারাদেশের মসজিদে ইবাদত করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। অনেকে বাড়ি বসেও ইবাদত করেন।

রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের এক বেজোড় তারিখের রাতে মুসলমানদের ইহকাল-পরকালের দিক নির্দেশনামূলক পবিত্র কোরআন শরীফ নাজিল হয়েছিল।
লাইলাতুল কদরের রাতে পবিত্র কোরআন শরীফ অবতীর্ণ হয় এবং এই রাতকে কেন্দ্র করে ‘আল-কদর’নামে একটি সুরাও নাজিল হয়। এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি করে আল্লাহর কাছে গুনাহ মাফের জন্য প্রার্থনা করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। তাই শবে কদরের রাতটি মুসলমান সম্প্রদায় মহান আল্লাহপাকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা ও পুণ্য লাভের আশায় নফল নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার করে অতিবাহিত করেন।
সারা বিশ্বের মুসলমানের কাছে সওয়াব হাসিল আর গুনাহ্ থেকে পানাহ চাওয়ার রাত হিসেবে শবে কদরের রয়েছে অতুলনীয় মর্যাদা।

কোরআন নাজিলের মাস মাহে রমজানের শেষ ১০ দিনের বিজোড় রাতগুলোর কোনো একটিই এই পুণ্যময় লাইলাতুল কদর। তবে ওলামায়ে কেরামরা মনে করেন, রমজান মাসের ২৬তম দিনের শেষের রাতটিই লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা সর্বাধিক। সেই হিসাবে এই রাতটিকেই লাইলাতুল কদর হিসেবে ধর্মপ্রাণ মুসলিম নর-নারীরা সারারাত নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির আসগারে মগ্ন থাকেন।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.