কুষ্টিয়া খোকসা উপজেলায় প্রকাশ্যে প্রশাসনের ছত্রছায়ায় জুয়ার আসর চলছে। সর্বসান্ত হচ্ছে এলাকার হাজারও উঠতি বয়সের যুব সমাজ। চিহ্নিত মাদক ইয়াবা ও জুয়া এবং ক্রিকেট ফিক্সিং এর ফাঁদেপড়ে হাজারও পরিবার নিস্বঃহচ্ছে। উপজেলার খোদ থানাপাড়ায় রয়েছে একাধিক মাদক ইয়াবা ও জুয়ার আসর। এ ছাড়াও বাসস্টান্ড মোড়, একতারপুর বাজার, আমবাড়িয়া বাজার, বি-মির্জাপুর,শোমসপুর ঋষিপল্লী ও কোমলাপুর মিয়াপাড়ায় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রছায়া ও থানা পুলিশের মাসহারার বিনিময়ে চলছে মাদক, ইয়াবা ও জুয়ার রমরমা ব্যবসা।
সবচেয়ে বেশী সর্বসান্ত হচ্ছে একতারপুর ও কোমলাপুর মিয়া পাড়ার যুবসমাজ। আর এ সবের পিছনে রয়েছে স্থানিয় জনপ্রতিনিধি নাসিরুদ্দীন মেম্বর বলে জানিয়েছেন স্থানিয় জনতা। খোকসা থানার এসআই গণ মোটা অংকের মাসহারা নিয়ে জুয়াকে বৈধ করেদিয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছ স্থানিয়রা।
এতারপুর বাজারের প্রত্যহদিনের জুয়া খেলোয়াড় মোঃ সাত্তার (৪৫) পিতা মৃত্য দুখি সর্দার, মামুন শেখ (৫০) পিতা মৃত্য হাকিম শেখ, মোস্তাক আলী (৪০) পিতা আধার আলী, এরশাদ মোল্ল্যা(৩০) পিতা মোঃ আসাম মোল্লা, মোঃ শামিন মন্ডল(৩০) পিতা মোঃ গোকুল মন্ডল ও এদের সর্দার একতারপুর ৩ নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বর নাসির উদ্দিন সহ আরো ১০/১২ জন জুয়াড়ি।
এরা সকলেই স্থানিয় চিহ্নিত জুয়া খালোয়াড়।
খোকসা পৌরসভার কমলাপুর মিয়াপাড়ায় রয়েছে মাদক গাজা ও ক্রিকেট ফিক্সিং খোলয়াড়। এদের মধ্যে মন্টুর ছেলে ইদ্রিস(২৪), আজমলের ছেলে দেলু (২০) ফারমুর ছেলে ফরহাদ (২২), লাল্টুর ছেলে জাকারিয়া (২০) ও হাফিজুলের ছেলে করিম (২৫) অন্যতম। এছাড়াও মিয়া পাড়ায় ফারুকের চা এর দোকানে কেরাম বোর্ডের আড়ালে জুয়াড়ি খেলা ও ক্রিকেট ফিক্সিং প্রায় স্ব অনুষ্ঠিত হয়।
গত ৮/১০ দিন আগে খোকসার জনপ্রতিনিধি ও অভিভাবকগণ যৌথ মহড়ায় এ সকল জুয়াড়িদের বেধড়ক পেটান হয় বলে জানিয়েছে স্থানিয় জনগন।
উঠতি বয়সি এ সকল যুব সমাজ অকালেই পথ হারা হয়ে অভিভাবকের কাছে বোঝা হয়ে দাড়িয়েছে। ইতি মধ্যে পিতা, মাতা ও স্ত্রী কতৃক অভিযোগে কারাবাস করছে একাধিক লোক।
৩ দিকের সিমান্তবর্তী উপজেলা খোকসার যুব মানব সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের ভুমিকা বরাবরই রয়েছে প্রশ্নবিদ্ধ। রক্ষক হয়ে পর্দার অন্তরালে চিহ্নিত কিছু মাদক ব্যবসায়ীদের পকেট ভারি করতে হীন কাজতে তিব্র ধিক্কার জানিয়েছে ভুক্তভোগী অভিভাবকগণ।
এদিকে খোকসার মাদক জুয়া ও ইয়াবার বিষয়ে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নাজমুল হুদা এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রশাসনের কোন সদস্য কোন অন্যায় কাজের সাথে জড়িত নয়। আমাদের কাছে অভিযোগ দিলে আমরা তাৎক্ষণিক গ্রেফতার করে আইনের হাতে স্বপদ করব।
অপরদিকে অভিভাবক মহলের দাবী, এলাকার যুব সমাজ রক্ষায় মাদক ইয়াবা ও জুয়ারিদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে আদালত বসিয়ে প্রতিহত করা হোক। সেই সাথে মাদক কে খোকসা থেকে স্ব-মূলে নির্মুলে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া অবশ্যক