দুই পক্ষের সমন্বয়েই বিশ্ব ইজতেমা ফেব্রুয়ারীতে

0

ইজতেমা আয়োজনের কাজ চলছে। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, বিভাগীয় কমিশনার ও গাজীপুর জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে মাঠ পরিষ্কার এবং যাবতীয় ইউটিলিটিজের ব্যবস্থা করা হবে। তবে ইজতেমার বাকি কাজ কীভাবে হবে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলছে।

আজ রোববার সচিবালয়ে তাবলীগ জামাতের আসন্ন ইজতেমা বিষয়ে দুই পক্ষের নেতাদের নিয়ে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এসব কথা বলেন।
বৈঠকে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, পুলিশ প্রধান, র‌্যাব প্রধান ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সুপার উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের মধ্যে একটু মতবিরোধ ছিল। তারা ঐক্যমত হয়ে আমাদের কাছে এসেছিলেন। তারপর তাদের মতামত নিয়ে সিদ্ধান্ত হয় যে, আগামী ১৫, ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। এখন পর্যন্ত তা ঠিক আছে।

মন্ত্রী বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে থেকে দুইজন করে নিয়ে মোট চারজন করে প্রতিনিধি নিয়ে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী আজ আবারো বসবেন। তারা বসে ইজতেমার সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো কীভাবে পরিচালিত হবে তা নির্ধারণ করবেন,’ ।

তাবলীগ জামাতের নেতাদের নিয়ে মিটিং বেশ লম্বা হচ্ছে কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেখুন, সারা বিশ্বেই তবলীগ জামাতের মধ্যে মতোবিরোধ শুরু হয়েছে, আমাদের দেশেও বাদ যায়নি। আমাদের উদ্দেশ্যে হচ্ছে, তাবলীগ জামাত আগের মতোই একসঙ্গে থাকবে এবং এবারের ইজতেমাও একই দিনেই হবে। আমরা সেই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, আলোচনা চলছে, সমস্যার সমাধান হবে। কে বয়ান করবে, কে মোনজাত করবে এবং কে পরিচালনা করবে এগুলো নিয়ে ঝামেলা আছে। আর তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আলোচনা চলছে।

ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা যে যাই বলি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা সবার কথা শুনেছি এবং একমতে পৌঁছেছি। দুই বিবাদমান পক্ষ মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে ইজতেমা হবে। এখন আমাদের পক্ষ থেকে দায়িত্ব হচ্ছে ইজতেমায় যাতে কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা না হয় সেই ব্যবস্থা করা।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.