নির্বাচনে কোনো কর্মকর্তা পক্ষপাতমূলক আচরণ করলে তার পরিণতি হবে কঠোর-নির্বাচন কমিশনা

0

 নির্বাচনে সততা ও নিরপেক্ষতার প্রশ্নে কমিশন শক্ত অবস্থানে থাকবে নির্বাচন কমিশনা। এখানে বড় দল বা ছোট দলের কোনো ভেদাভেদ নেই, সবাই সমান। নির্দেশনার পরও কোনো কর্মকর্তা পক্ষপাতমূলক আচরণ করলে তার পরিণতি হবে কঠোর।

আজ রোববার সকালে বরিশালের সার্কিট হাউজে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ডিজিটাল ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ হুঁশিয়ারি দেন।

ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে কোনো কিছু গোপন রাখার সুযোগ নেই। সব কার্যক্রম খোলামেলাভাবে করতে হবে এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা থাকবে গুরুত্বপূর্ণ। নিরপেক্ষতার প্রশ্নে নির্বাচন কমিশন কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘আমার কাছে ছোট দল, বড় দল, হেভিওয়েট কিংবা লাইটওয়েট কোনো প্রার্থী নেই। আমাদের দায়িত্ব কেবল নাগরিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা। আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে সবাইকে সমানভাবে ট্রিট করতে হবে।’

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক করে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘নির্দেশনার পরও যদি কেউ ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠতে না পারেন এবং পক্ষপাতিত্ব প্রমাণিত হয়, তাহলে তার অবস্থা খুব খারাপ হবে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো ছাড় দেবে না।’

আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে, তবে তা যেন কেবল বলপ্রয়োগের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। প্রয়োজনে মধ্যপন্থা অবলম্বন করেই পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে।’

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই জানিয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘প্রবাসীদের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের কারচুপির সুযোগ নেই। ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে লাইভ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং ব্যবহৃত ব্যালটের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।’ এ সময় প্রবাসীদের জন্য ব্যবহৃত ব্যালটে মোট ১১৯টি প্রতীক থাকবে বলে জানান ।

সভায় সভাপতিত্ব করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা খাইরুল আলম সুমন। এতে পুলিশ সুপারসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.