বিশ্বে করোনায় লাফিয়ে মৃত্যু বেড়ে প্রাণহানি ২ লাখ সাড়ে ৮৭ হাজার, আক্রান্ত ৪২ লাখ ৫৬ হাজার

0

করোনাভাইরাসের ছোবলে মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ লাখ ৮৭ হাজার ৩৩২ জন। এছাড়া এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৪২ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪০ জনের শরীরে।

মওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার ২৯৩ জনের এবং আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ লাখ ৫৪ হাজার ৮০০ জনে। ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৫ লাখ ২৭ হাজার ১৪৪ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৫ লাখ ২৭ হাজার ৪৮৭ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ২৪ লাখ ৪১ হাজার ১২১ জন। এদের মধ্যে ২৩ লাখ ৯৪ হাজার ১৮৫ জনের শরীরে মৃদু সংক্রমণ থাকলেও ৪৬ হাজার ৯৩৬ জনের অবস্থা গুরুতর।

ভাইরাসটির আক্রমণে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা প্রভাবশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্রের। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৮১ হাজার ৭৯৫ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮৩৪ জন।

বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে, ৮১ হাজার ৭৯৫ জন। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যাও বিশ্বে সর্বোচ্চ, ১৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮৩৪ জন। মৃত্যুর সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের পরেই উঠে এসেছে যুক্তরাজ্য। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৩২ হাজার ৬৫ জন। আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৬০ জন।

মৃত্যুর তালিকার তিন নম্বরে রয়েছে ইউরোপের দেশ ইতালি। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩০ হাজার ৭৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ১৯ হাজার ৮১৪ জন।

এর পরের অবস্থানেই রয়েছে স্পেন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২৬ হাজার ৭৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে অবশ্য ২য় অবস্থানে রয়েছে এ দেশটি। এখানে ২ লাখ ৬৪ হাজার ১৪৩ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

মৃত্যুর তালিকায় এর পরের অবস্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২৬ হাজার ৬৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৩ জন।

এদিকে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে রাশিয়ায়। আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ২১ হাজার ৩৪৪ জন, মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৯ জনের।

এছাড়া জার্মানিতে ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৭৬ জন মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৭ হাজার ৬৬১ জনের। তুরস্কে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৭১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এখানে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৮০০ এর বেশি মানুষের। কানাডায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭ হাজার ৭০২ জন, মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ৬৯৩ জনের।

ভাইরাসটি প্রথম শনাক্ত হয় চীনে। সেখানে এ ভাইরাসে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৮২ হাজার ৯১৯ জন এবং মারা গেছেন ৪ হাজার ৬৩৩ জন।

এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে ইরানে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৯ হাজার ২৮৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৬৮৫ জনের।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৬৯১ জনের শরীরে। এদের মধ্যে মারা গেছেন ২৩৯ জন এবং সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ২ হাজার ৯০২ জন।

ডিসেম্বরে চীনে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেলেও বাংলাদেশে ভাইরাসটি শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। ওইদিন তিন জন করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা অনেকটাই সমান্তরাল ছিল। কিন্তু এরপর থেকে বাড়তে থাকে রোগীর সংখ্যা।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.