কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৫৭ হাজারের বেশি।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে বিশ্বের ৫৭ লাখ ৮৮ হাজার ৭৮২ জন। বর্তমানে ২৯ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৪ জন চিকিৎসাধীন। এদের মধ্যে ৫২ হাজার ৯৭৫ জন আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে।
এ পর্যন্ত করোনাভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে ২৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৯৩ জন সুস্থ হয়ে উঠেছে এবং তিন লাখ ৫৭ হাজার ৪২৫ জন রোগী মারা গেছে। চীন থেকে উৎপত্তি হওয়া করোনাভাইরাস বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।
এর মধ্যে বিপর্যস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গত একদিনে ২০ হাজার ৫৪৬ জনের বেশি মানুষের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৮০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। প্রাণ গেছে আরও ১ হাজার ৫৩৫ জনের। ফলে, এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর দেশটিতে প্রাণহানি ১ লাখ ২ হাজার ১০৭ জনে ঠেকেছে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্তের দেশ ব্রাজিলে আক্রান্ত ৪ লাখ ১৪ হাজার ৬৬১ জন। প্রাণহানি ২৫ হাজার ৬৯৭ জনে ঠেকেছে।
আক্রান্তের তালিকায় তিনে থাকা রাশিয়ায় করোনার শিকার ৩ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষ। সে তুলনায় অবশ্য প্রাণহানি অনেকটা কম পুতিনের দেশে। এখন পর্যন্ত সেখানে প্রাণহানি ৪ হাজার ছুঁই ছুঁই।
নিয়ন্ত্রণে আসা স্পেনে আক্রান্ত ২ লাখ সাড়ে ৮৩ হাজার ৮৪৯ জন। এর মধ্যে প্রাণহানি ঘটেছে ২৭ হাজার ১১৮ জনের।
প্রাণহানিতে দ্বিতীয় স্থানে থাকা যুক্তরাজ্যে সংক্রমণ ২ লাখ ৬৭ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে মৃতের সংখ্যা ৩৭ হাজার ৪৬০ জনে দাঁড়িয়েছে।
ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া ও আংশিক লকডাউনে থাকা ইতালিতে প্রাণহানি ৩৩ হাজার ছাড়িয়েছে। যেখানে আক্রান্ত ২ লাখ সাড়ে ৩১ হাজারের বেশি। এছাড়া, আক্রান্ত ও প্রাণহানি কমেছে ইউরোপের দুই রাষ্ট্র জার্মানি ও ফ্রান্সে।
আর দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ভারতে। সংক্রমণ ছড়ানোয় শীর্ষ দশে থাকা দেশটি এবার তুরস্ককে ছাড়িয়ে যাওয়ার অপেক্ষায়। যেখানে আক্রান্ত ১ লাখ ৫৮ হাজার ছাড়িয়েছে। প্রাণ গেছে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৫৩৪ জনের।
আর বাংলাদেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্যানুযায়ী গতকাল বুধবার পর্যন্ত করোনার শিকার ৩৮ হাজার ৯৫৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৫৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বেঁচে ফিরেছেন ৭ হাজার ৯২৫ জন।