শনিবার (১৯ অক্টোবর) উত্তরার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেছেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে পোশাক খাতে অস্থিরতার কারণে আনুমানিক ৩০০ থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, আইন-শৃঙ্খলার স্থিতিশীলতা বিবেচনায় ওই সময় বেশ কিছু কাজের অর্ডার অন্যান্য দেশগুলোতে স্থানান্তরিত হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আন্তর্জাতিক খুচরা বিক্রেতা ও ব্র্যান্ডগুলো আবার ফিরে আসছে।
তিনি বলেন, তৈরি পোশাক খাতে অনেক উদ্যোক্তা বিভিন্ন প্রতিকূলতার কারনে ব্যবসায় টিকতে পারছেন না। বিজিএমইএ দীর্ঘ দিন ধরে বলে আসছে এসব উদ্যোক্তাদের জন্য একটি নিরাপদ এক্সিট পলিসি’র প্রয়োজন।বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, গত দুই মাসে পোশাক শিল্পে দীর্ঘায়িত শ্রম অস্থিরতায় আমাদের অনেক মাশুল দিতে হয়েছে। আমরা চাই না এই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হোক। যারা শিল্প ও অর্থনীতি নিয়ে ছিনিমিনি খেলবে, তাদেরকে কঠিন আইনের আওতায় আনার জন্য আহবান জানাচ্ছি।
এছাড়া শ্রমিক অসন্তোষের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় খন্দকার রফিকুল ইসলাম সরকারের কাছে তিন মাসের জন্য কোনো কারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করার অনুরোধ জানান। এ সময় ব্যাংক সুদের হার এক অঙ্কে নামিয়ে আনার জন্যও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিজিএমইএ সভাপতি।