সরওয়ার কামাল জামান: মিডিয়ার অন্তরালে, একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিকের নাম মাওলানা Gazi Yakub । দেশের মানুষের যেকোনো সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়। রোহিঙ্গা শিবির থেকে শুরু করে, বন্যার্তদের ত্রাণ দেওয়া, ঢেঙ্গু প্রতিরোধে নিজ উদ্যোগে ঢাকাকে ক্লিন করার মিশন শুরু করা, করোনায় বিপদগ্রস্ত শতশত মানুষের আহার যোগান, করোনা আক্রান্তদের কাফন-দাফন জানাযায়ও উনি সবার সামনে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।
করোনার ভয়ে যেখানে বাবা নিজের ছেলের লাশ ফেলে চলে যাচ্ছে, সেখানে নিজেদের জীবনের মায়া না করে, তাদের কাফন-দাফনের জন্য চলে যাচ্ছে মাওলানা গাজি ইয়াকুব উসমানী ও তার একনিষ্ঠ প্রতিনিধি দল। করোনা আক্রান্তদের কাফন-দাফন জানাযা নিয়ে সারা দেশব্যাপি যেই উদ্যোগ এক গাজি ইয়াকুব ভাই নিয়েছে তা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
এই বঙ্গভূমিতে কর্মট ও ত্যাগি মানুষের মূল্যায়ন কখনই ছিল না। ১০জন বামপন্থী রাজনৈতিক নেতা মিলে একজন গরিবকে ত্রাণ দেওয়ার নিউজ দেশের সেরা মিডিয়া প্রথম আলোতে আসলেও একজন গাজি ইয়াকুবের এই আত্মত্যাগ কোনো মিডিয়াতে আসে না। শুধু একটাই কারণ গাজি ইয়াকুব উসমানী একজন আলেম। লেবাসে পোশাকে সাচ্চা মুসলমান।
এমন মানুষের মহৎ কৃতকর্মগুলো যদি জাতি জানতে পারে, তাহলে তাদের জাফর স্যার আর আনিসুল হক স্যারের ভাত মারা যাবে৷ চেতনার নামে এতদিন তারা যেই বস্তাপঁচা জ্ঞান বিলিয়েছে, সেই জ্ঞান বিলি যে বাঙলার মানুষের বিপদে কাজে আসছে না, তা মানুষ এখন প্রত্যক্ষ করছে।
আজকে বাঙলাদেশের এই দূর্দিনে প্রকৃত হিরো গাজি ইয়াকুবরাই৷ মিডিয়া বা লোক দেখানো প্রচারের জন্য উনি কাজ করছেন না। কিন্তু, এমন একজন মানুষকে প্রাপ্য সম্মান দিতে না পারা এটা আমাদের বড় ধরনের অকৃতজ্ঞতা। বেঁচে থাকুক গাজী ইয়াকুব উসমানীরা যুগ থেকে যুগান্তরে। কাল থেকে কালান্তরে।
প্রসঙ্গতঃ তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতি সন্তান। তিনি হাটহাজারী থেকে দাওরা হাদিস সমাপ্ত করে ঢাকা থেকে ইফতা কোর্স শেষ করেছেন। অন্যদিকে কামিল বিএঅনার্স সমমান ডিগ্রি অর্জন করেন।