শাকিল আহমেদ, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: আজকের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, আজকের সংগ্রাম আামদের মুক্তির সংগ্রাম। সাতই মার্চেও ঐতিহাসিক ভাষনে যিনি বাংঙ্গালী সাড়ে সাত কোটি মানুষকে এক কাতারে এনেছিলেন, যিনি বাঙালীকে পরাধীনতার শীকল থেকে মুক্ত করেছিলেন যার ডাকে বাংলাদেশের লক্ষ কোটি লোক মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, অনেক ত্যাগের পর যখন এই দেশের মানুষ মুক্তি পেয়েছিল, মায়ের ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করেছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর বিদ্ধঃস্থ বাংলাদেশকে গোছানোর কাজ শেষ না করতেই স্বার্থলোভী গোষ্টি বাংলাদেশের এই মহান নেতাকে হত্যা করার পর আমি যে দুঃখ পেয়েছি আমার মুত্যু নাহলে তা কখনো যাবেনা। বঙ্গবন্ধু আজও বেঁচে আছেন আমাদের অন্তরে। কথাগুলো অকোপটে বলে গেলেন বাংলাদেশের যুদ্ধ চলাকালিন সময়ে ২নং সেক্টোরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: নাছিরউদ্দিন। তার বাসায় সাক্ষাত করতে গেলে দেখি তিনি সৃতির পাতাকে ধরে রাখতে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ছবি ও পঁচাত্তওে ঘাতকদের বর্বরতার শিকার মুজিব পরিবারের ছবি ও বাংলার জননী ১৬ কোটি বাংঙালীর একমাত্র ভরসা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ছবি তার ঘরের দেয়ালে সাজিয়ে রেখেছেন। তিনি দুঃখ করে বলেন অনেক সন্ত্রাসী আমাকে অনেক হুমকি দিয়েছিল সেই ছবিগুলো নামিয়ে ফেলতে, তখন আমি বলেছিলাম ছবিগুলো নামাতে হলে আমার লাশের উপর দিয়ে নামিয়ে নিয়ে যেতে হবে। তিনি দুঃখ করে বলেন ৩০ লক্ষ লোকের প্রানের বিনিময়ে লক্ষ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা আমরা পেয়েছি। স্বাধীনতার পর অনেক মুক্তি যোদ্ধা অবহেলিত হয়ে গিয়েছিলেন। অনেক সরকারই এসেছিলেন কেউই আমাদের খবর পর্যন্ত নেননি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদেরকে তার অন্তরে স্থান দিয়েছেন। আমাদের দুঃখ গোছানোর জন্য মুক্তিযোদ্ধা ভাতার ব্যবস্থা করে দেন, আমাদের সন্তানদের কোটা ভিত্তিক চাকুরির ব্যবস্থা করে দেন। যার কারনে অবহেলিত মুক্তিযোদ্ধারা আজ স্বাবলম্ভি। তিনি আরো বলেন যুদ্ধ করার সময় আমরা যেই বর্বরতা দেখেছি স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি যেভাবে বাংলার মানুষকে অত্যাচার করেছে তার চিত্রগুলো আজ আমাদের সন্তানরা পাঠ্য বইয়ের মাধ্যমে জানতে পারে। মুক্তি যুদ্ধের ইতিহাস আজ পাঠ্য বইয়ে চাপা হচ্ছে, জাতির জনকের জীবনী ইতিহাস আজ সবাই জানতে পারছে। মনে করেছিলাম এই সমস্ত কিছু আর দেখতে পাবনা। হয়তো যুদ্ধ কালিন মরিনি বাংলাদেশের ইতিহাসকে কলংকিতের হাত থেকে রক্ষা পাবে এবং স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তি আবার বিবেকহীন রাজাকার আল-বদও থেকে বাংঙালী জাতী আবার মুক্তি পেয়েছে বলে। তাই আজ মরেও শান্তি পাব। তিনি বলেন অনেক মুক্তি যোদ্ধারা এখোনো তাদের মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পাচ্ছেনা। মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েও তারা অবহেলীত। তাই তিনি তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধার ভাতার আওতায় আনার জন্য ও তাদের গেজেট প্রকাশ করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহবান জানান। তিনি বাংলাদেশকে উন্নতরাষ্টে পরিনত ও অভুতপূর্ব উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখর জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।