ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ: ভাবতেছি, সাংবাদিকতার মত মহান পেশা বাদ দিয়ে ঐ ক্যামেরা দিয়ে কোন সামাজিক অনুষ্ঠান কিংবা বিয়ে বাড়িতে ফটো ও ভিডিও ধারণে ব্যস্ত হয়ে যাবো। নয় ত, বিদেশ থেকে তেল আমদানি করে সরকারি, আধা- সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও জনপ্রতিনিধিদের মাঝে বাহবাহ দিয়ে তৈল মর্দন করে ফেমাস হয়ে যাবো । কেননা, এর উল্টো কিছু করতে যাবো তো ফেঁসে যাবো। সাংবাদিকদের জন্য তৈরি হচ্ছে, আছৌলা বাঁশ ৩২ ধারা বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮। নতুন আইনের ৩২ ধারায় বলা হয়েছে যে, ‘সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কেউ যদি বেআইনিভাবে প্রবেশ করে কোনও ধরণের তথ্য-উপাত্ত, যেকোনও ধরণের ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি দিয়ে গোপনে রেকর্ড করে, তাহলে সেটা গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ হবে।’ আইনটিতে এ অপরাধের শাস্তি হিসেবে ১৪ বছরের জেল ও ২০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। # প্রসঙ্গ: একজন সংবাদকর্মীর প্রধান কাজ হচ্ছে সমাজের অসঙ্গতি, দেশ বিরোধী কর্মকাণ্ড, দুর্নীতি, অনিয়ম, আত্মসাৎ ও অসহায় মানুষের পক্ষ হয়ে জনসম্মুখে তা প্রকাশ করা। আর এর জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত প্রমাণাদি। যা সংগ্রহ করতে একজন সাংবাদিককে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে হয়। কিন্তু নতুন এই আইন প্রণোয়নে জাতির কাছে আমার প্রশ্ন (?) ” একজন সাংবাদিক কি তার সঠিক কাজটি করতে পারবে…???”